1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

মহিলারা নামাজের ইমামতি করতে পারে না কেন?

  • Update Time : Sunday, June 7, 2020

ইসলামে নামাজে মহিলারা ইমামতি করতে পারে না কেন?

একটু ছোটখাটো করে উত্তর দেই।

১.ইসলাম নারীদের পর পুরুষের সামনে ইমামতি করার সুযোগ দেয় না।আচ্ছা ভাব,এতগুলো পুরুষ তাদের সামনে একটা মেয়ে ইমামতি করছে।জিনিসটা কেমন দেখায় বলো?যখন কেউ নামাজ না পরে ওই নারী ইমামের দিকে তাকিয়ে থাকবে,জিনিসটা খুব কুরুচি পূর্ণ হবে।নামাজ পড়তে হয় একাগ্রতা আর মনোযোগের সাথে।আর খোদার বদলে তুমি যদি এক নারীর প্রতি একাগ্রতা দেখাও সেইটা কি খোদার ইবাদত হলো?

২.নারীদের ঋতুস্রাব হয়।যেকোন সময়ই তা হতে পারে।নামাজের ভেতর হাওয়া অস্বাভাবিক না।মসজিদে রক্ত,বীর্য কিংবা প্রস্রাবের নিঃসরণ কঠোর ভাবে নিষেধ। ঋতুস্রাবের রক্তও তাই নিষেধ।

৩.ইসলাম কখনোই বলে না পুরুষরা সুপার এঞ্জেল।তাদের ও তো জৈবিক চাহিদা আছে।এখন বলবেন আরে এটা তো pervert এর মত কথা।কিন্তু যদি নারীর জন্য জৈবিক চাহিদা না থাকে তাহলে সে তো আর পুরুষ রইলো না।স্বাভাবিক ভাবেই তাই নারীরা পুরুষদের সাথে একই কাতারে কিংবা তাদের সামনে নামাজ পড়তে পারে না।(আমাকে আবার সেক্সিস্ট ভাববেন না)

৪.অনেক আলেমের মতে মহিলারা বাড়ির পুরুষদের ইমামতি করতে পারবে।তাদের সাথে নামাজ পড়তে পারবে বাড়িতে।।যেহেতু পরিবারের সদস্যদের কেউ তার দিকে কুদৃষ্টি দিবে না।

৫.নামাজের সময় অনেক ভঙ্গি হয় শরীরের।ইমাম মাত্র ৩-৪ হাত দূরে দাড়ান।এত কাছে একজন পুরুষের সামনে একজন নারী দাড়ালে জিনিসটা কেমন হলো?

৬.এখন আচ্ছা ধরো আমি একটা মেয়েকে পছন্দ করি।আমি মুসলমান হলেও নামাজ পড়ি না। এখন ওই মেয়ে মসজিদে নামাজ পড়ায় শুনে আমি গেলাম নামাজ পড়তে।নামাজ তো তাহলে আমি খোদার উদ্দেশে পড়ছি না।পড়ছি ওই নারীর সাক্ষাৎ আর ভালোবাসা লাভের উদ্দেশ্যে। একি ভালো হলো?

৭.সমাজে ভালো খারাপের অকাল নাই।সবার নজরই ভালো সে গ্যারান্টি কি দেয়া যায়?

৮.নারীরা অন্তরসত্বা হয়।পুরুষরা না।ওই অবস্থায় যদি নারীদের ইবাদত করা সম্ভব না হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। প্রয়োজন হলে নামাযের দরকার নাই ওই অবস্থায়।বরঞ্চ,পুরুষের কোনো ছুটি নাই।তাকে নামাজ চালিয়েই যেতে হবে।এখন আবার বলো না কুমারী মেয়েদের ইমাম বানানো হোক।কিন্তু এতে তো তাদের বিবাহের অধিকার ক্ষুন্ন হবে।তাই না?এটা তো ইসলাম বলে না।আমরা তো নারীদের বিবাহের অধিকার দেই।

৯.এখন কথা হচ্ছে আমরা নারীদের নিয়ে এত বাড়া বাড়ি করি কেনো?

আচ্ছা ধরুন,আপনার প্রিয় গোলাপ গাছে একটা লাল টুকটুকে সুন্দর গোলাপ হয়েছে🌹।সেই ফুল আপনার খুব ভালো লাগলো।এত ভালো যে জীবন দিয়ে দিতে পারেন।তাকে কি আপনি পোকা মাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে চাইবেন না?তার ঝরে পড়া🥀 কি আপনি রুখতে চাইবেন না।যদি দরকার হয় তাহলে কি মশারী টাঙিয়ে ও তাকে নিরাপত্তা দেবেন না?দুষ্ট ছেলেরা যাতে ছিড়ে নিয়ে না যায় তার খেয়াল কি রাখবেন না?গোলাপটি যখন কুরী তখন যাতে বড় হওয়ার পর একটা সুন্দর গোলাপে পরিণত হয় সেই চেষ্টা কি করবেন না?এবার ভাবুন,আপনি গাছটায় বেড়া দেননি।মশারী টাঙিয়ে দেননি।সবাই গাছটার উন্মুক্ত সৌন্দর্য দেখছে।লোলুপ চোখে দেখছে গোলাপটা।ওই ফুলটা ছিড়ে নিয়ে যেতে চায় সবাই।এত গুলো মানুষ থেকে আপনি মোকাবেলা করতে পারবেন?আর গোলাপটা ও বলিহারি।সে দিন দিন যত সুন্দর হচ্ছে ততই দায় সারা ভাব নিচ্ছে।খালি হাওয়ায় দুলতে থাকে সারাদিন।নরম পাপড়ি শিশিরের বিন্দুতে সর্গীয় মনে হয়।এত ভালো লাগে যে সবাই চেয়ে থাকে।আর গোলাপটা নিজের করার ফিকিরে থাকে।যদি ভালোয় ভালোয় না হয় তবে জোর করে হলেও গোলাপটা তার চাই।এখন হলো কি গোলাপটা কিন্তু নিষ্পাপ।সে আপনাকে পেয়ে দারুন খুশি।তার সকল সৌন্দর্যই আপনার জন্য।কিন্তু সে না কোনো বেড়া টারা মানে না।ওই মশারির ভেতর থেকে খালি বেরিয়ে যায়।মনে করে তাকে জোর করে আটকে রাখা হচ্ছে।তার সৌন্দর্য চেপে রাখতে চাইছেন আপনি।কিন্তু সে তো জিনিসটা বুঝছে না।আপনি তো আর একা ১০০ লোকের সাথে লড়াই করতে পারবেন না।ওই লোভী দৃষ্টিগুলো আটকাত পারবেন না।ওই লোভী চোখ আর হাতের মালিকদের থেকে যেটা বাঁচাতে পারে তা হলো ওই তুচ্ছ মশারী।কিন্তু সে তা মানছে না।তার যুক্তি হলো তুমি ওটা না পড়লে আমিও পড়বো না।আমরা কি সমান সমান নই?কিন্তু তাকে কে বোঝাব আপনার দিকে তো আর অন্য লোকে চাইবে না।আপনিও পুরুষ সেও পুরুষ।আপনার প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ তার নেই।একদিন হলো কি আপনার থেকে বড় ষান্ডা মার্কা এক লোক দেখলো ওই গোলাপটা।আপনাকে মেরে পিটে ছিড়ে নিয়ে গেলো ওটাকে।গোলাপটার ও কাটা আছে।কিন্তু একজন কতজনের বিরুদ্ধে লড়বে?আপনি ছাতু হয়ে গেলেন মারামারি করতে করতে।গোলাপটা ও আর নিজের কাটা দিয়ে লোকটাকে থামিয়ে রাখতে পারল না।।এভাবেই সমাপ্ত হল আপনার আর আপনার প্রিয় গোলাপের।ভালো লাগবে?🤨

আমাদের মুসলমানদের কাছে মেয়েরাও ওই গোলাপের মতই।তাদের আমরা মা,বোন আর স্ত্রীর রূপে দেখি।আমাদের মতে prevention is better than cure।তাদের আমরা রক্ষা করতে চাই সব কিছু দিয়ে।তাদের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত সবাই।তাই না?

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category