1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  3. mahmudursir@gmail.com : samagra :
Title :
শায়েস্তাগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ জন ও আহত ২০ জন দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই জন। শায়েস্তাগঞ্জে ইন্ডিয়ান নাগরিকের লাশ উদ্ধার। ‘দেশ সেরা অনলাইন কন্টেন্ট নির্মাতা, শায়েস্তাগঞ্জ মডেল কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মোঃ আরিফুল ইসলাম ফেসবুক দিচ্ছে ফেলোশিপ, আবেদন করতে পারবেন অধ্যায়নরত পিএইচডি শিক্ষার্থীরা, বছরে দেবে ৪২,০০০ ডলার হবিগঞ্জের স্কুল শিক্ষিকা সুপ্তা দাশের মৃত্যু: ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টায় অভিযুক্ত অটোরিকশা চালক আটক আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১০ বা তার বেশি সন্তান জন্ম দেবেন তাদের ‘মাদার হিরোইন’ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষনা পুতিনের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদা না দেয়ায় প্রবাসীর জমি দখল!

২০৮ ট্যুরিস্ট পুলিশ রয়েছে দুই লক্ষাধিক পর্যটকের নিরাপত্তায়

  • Update Time : মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০২১

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার সবসময় পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা এই শহরে প্রতি পর্যটন মৌসুমে সরকারি ছুটি ও বিশেষ দিবসে দুই লক্ষাধিক পর্যটকের আগমন ঘটে। কিন্তু এত পর্যটকের নিরাপত্তায় রয়েছেন মাত্র ২০৮ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ। লোকবল থেকে শুরু করে রয়েছে নানা অবকাঠামোগত সংকট।

গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজারের গুড ভাইব কটেজ রিসোর্টে অস্ট্রেলিয়ান নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, ২০০৫ সালে বিদেশি নারীকে ধর্ষণের ঘটনা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সমুদ্রসৈকত ঘিরে জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক পর্যটক।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈতক ছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে ৩৫টি পর্যটন স্পট। এসব পর্যটন স্পটের বেশিরভাগ এলাকায় নেই ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিশেষ করে সোনাদিয়া, মহেশখালী, খুরুশকুল, হিমছড়ি এলাকা সবসময় পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে। কিন্তু এসব পর্যটন স্পটে নেই ট্যুরিস্ট পুলিশ। নেই কোনও ট্যুরিস্ট পুলিশের ফাঁড়ি কিংবা নিরাপত্তা চৌকি। ফলে এসব এলাকার পর্যটকরা সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় থাকেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কক্সবাজারে পর্যটক আগমনের তুলনায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য অপ্রতুল। প্রতি মৌসুমে সরকারি ছুটি কিংবা বিশেষ কোনও দিবসে কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন বেশি ঘটে। শহরের সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে দুই লাখের বেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। এসব পর্যটক আবার ভাগ হয়ে সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট ভ্রমণ করেন। শুধুমাত্র কক্সবাজারের পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন ৫০০-৭০০ ট্যুরিস্ট পুলিশ।’

তিনি বলেন, ‘পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের সময় প্রতিটি জাহাজে দুই জন করে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মোতায়েন থাকে। এভাবে ইনানী, টেকনাফ ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন থাকে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদের ভাষ্যমতে, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় ওয়াচ টাওয়ার, রেসকিউ বোট, তথ্যকেন্দ্র, অফিস, মোটরবাইক, হেল্থ ও সহায়তা ডেস্ক তৈরি করা দরকার। আমাদের এসব নেই। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেল-মোটেলে অভিযান চালানোর জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া দরকার। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- র‌্যাব এবং ঢাকা মেট্রোপলিটনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন।

একইভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংযুক্ত করা দরকার। কারণ ট্যুরিস্ট পুলিশ বর্তমানে অভিযানে গেলে জেলা প্রশাসন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট পাওয়া যায় না। এ কারণে গত দেড় বছরে কক্সবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কোনও অভিযান চালাতে পারেনি ট্যুরিস্ট পুলিশ। এটি নজিরবিহীন ঘটনা। এগুলো সমাধান করা জরুরি।’

কালেকশন: বাংলা ট্রিবিউন

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category