1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. samagrabangla@gmail.com : admin :
  4. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  5. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  6. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf
Title :
হবিগঞ্জ উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের আন্তঃকমিটির সভা অনুষ্ঠিত সেবার সাধরণ পাঠাগারে বই পড়া প্রতিযোগিতা কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন হবিগঞ্জের তাহসান খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হবিগঞ্জে বিশ্বমানের লেগস্পিনারের সন্ধান ; খেলতে চায় জাতীয় দলে কক্সবাজারে বাস মাইক্রো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ ; আহত ৯ শর্তসাপেক্ষে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে যাওয়ার অনুমতি পেলেন মামুনুল হক শায়েস্তাগঞ্জ Rapid ICT কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় শায়েস্তাগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার ১ম স্থান অর্জন চিকন হওয়ার জন্য শর্টকাট টিপস বা নিয়ম

ছাত্রদের লেখাপড়ার পাশাপাশি কিভাবে টাকা উপার্জন করবে?

  • Update Time : Sunday, July 19, 2020

ছাত্রদের লেখাপড়ার পাশাপাশি দৈনিক এক থেকে দেড় ঘণ্টা কাজ করে কি আয় করা সম্ভব? বা কিভাবে একজন ছাত্র ভবিষ্যতের জন্য কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবে?

ছাত্র জীবনে টাকা আয় করার বাস্তবতা।

দেশ আধুনিকায়নের দিকে যাচ্ছে সাথে সাথে উন্নত চিন্তা সম্পন্ন হচ্ছে আমাদের দেশের লাখ লাখ স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরাও। এই ধরনের চিন্তা আমাদের সময় আমরা বন্ধু বান্ধবরা খুব কমই পোষন করতাম। তবে মাঝে মাঝে আড্ডা দিতে বসলে ছাত্র বয়সে কিভাবে টাকা কামানো যায় সেটা নিয়ে বৃহৎ বিস্তর আলোচনা শুরু হয়ে যেত। সবাই বসে বসে স্বপ্নে নিজেকে লাখপতি কোটিপতি বানিয়ে দিতাম। আর সেই ভাবনাটা মাথায় রেখেই বাসায় আসার পর আমি ইন্টারনেটে সার্চ দিতাম ‘অনলাইনে টাকা কামানোর উপায়’ ‘ঘরে বসে কিভাবে টাকা কামানো যায়’, ‘ছাত্র বয়সে টাকা আয় করুন’ আরো কত কি! অধিকাংশ সময় আমাকে ফাদে পড়তে হয়েছে বিভিন্ন ঠকবাজি আর ভুয়া ওয়েবসাইটের। টাকা কামানোর এই ফ্যান্টাসি গুলো ছিলো খুব সাময়িক, ২দিন পরেই আবার ভুলে যেতাম। অই সময়টায় বিভিন্ন লোকমুখে এক পরামর্শই শুনতাম ফ্রিল্যান্সিং কর, টিউশন করা আরো কত কি! ঘুরে ফিরে একই ক্যাচাল। কিন্তু আপনি যাই করেন না কেন স্টুডেন্ট থাকাকালীন এইভাবে টাকা কামাতে চাইলে নিজের পড়াশোনা বিসর্জন দিতে হবে নিশ্চিত!মুল কথা হচ্ছে শর্টকাটে টাকা কামাবেন মাত্র ১/১.৫ ঘন্টা কাজ করে, এই চিন্তা সুন্দর করে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেন। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। তাই আপনি যদি স্কুল অথবা কলেজের ছাত্র হোন তাহলে এই পরামর্শটা আপনার জন্য অনলাইনে একটু একটু করে ওয়েব ডেভলপিং/ কোডিং/ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে থাকুন। বিশ্বাস করুন এই স্কিল গুলো শেখা একদম সহজ, যেকোন ১১/১২ বছরের ছেলেও পারবে। খালি লাগবে ধৈর্য্যটুকু। ধৈর্য্য ধরে প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে শিখে যেতে পারলে ১ বছরের মাথায় উস্তাদ হয়ে যাবেন। ( যেকোনো একটি বিষয়ে) তারপর?ভার্সিটিতে উঠে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন এটা আমি গ্যারান্টি দিতে পারি

আমি যে ৩ মাধ্যমে টাকা আয় করে চলেছি

এইবার আমি কিছু বাস্তবভিত্তিক মাধ্যম বলি যেভাবে আমি কলেজ থেকে ধান্দা করে আসছি। প্রথমত ধান্দা শব্দটি শুনে নাক ছিটকানোর কিছুই নেই। আমার কাছে ধান্দা সংজ্ঞাটা একটু অন্যরকম। ধান্দা বলতে এখানে আমি যা বুঝিয়েছি তা হলো মুলত টাকা আয় করার জন্য অনুসন্ধিৎসু মন রাখা। যদি সত্যি আপনি কোনো কিছুর জন্য আগ্রহী হন তবে আপনি নিশ্চিত সফলতা অর্জন করতে পারবেন ইনশাল্লাহ। আর হ্যা আমি একটু গতানুগতিক ধারার বাহিরে পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করবো।

১. টিউশনি

আমি জানি আপনি হয়তো ভাবছেন এটা আবার গতানুগতিক ধারার থেকে ব্যাতিক্রমি কি হলো? আমি জানি ব্যাতিক্রমি কিছু না কিন্তু এই ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু টিপস দিতে পারি, আশা করি কাজে লাগবে। তবে একটা কিথা ধ্রব সত্য আর সেটা হলো আগামী ৩০-৪০ বছরেও মনে হয় না বাংলাদেশে টিউশনি নামক পেশাটির ভাটা পড়বে হাহাহা!

প্রথমত আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কোন বিষয়ে খুব দক্ষ? ধরুন আপনি ইংরেজি ভালো পারেন এখন পড়াবেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিন্তু ছাত্র/ছাত্রী পাবেন কিভাবে ভাবছেন? কাজে লাগান আপনার ‘ধান্দা’ মানসিকতা। অর্থাৎ অনুসন্ধিৎসু মন।

পোস্টার লাগালে পারতপক্ষে কোনো লাভ হয় কিনা জানি না তবে একটা কাজ করলে আপনি নিশ্চিত ছাত্র ছাত্রী পাবেনই আর সেটা হচ্ছে লেগে থাকা। কিসের সাথে লেগে থাকবেন? আপনার অই সকল বন্ধুদের সাথে যারা টিউশনি অলরেডি করাচ্ছে। বিশ্বাস করুন আপনাকে শুধু সাহস করে খুজতে হবে এমন কয়জন বন্ধু আছে আর কয়জন সিনিয়র আছে যারা টিউশনি করায়। আমাদের প্রত্যেকের ফ্রেন্ডসার্কেলেই সাধারণত এমন ৪-৫জন ভাইয়া অথবা বন্ধু থাকেই যারা বিভিন্ন জায়গায় টিউশনি করায় আর আপনি যদি তাদের জিজ্ঞসা করেন কিভাবে তারা তাদের প্রথম শিক্ষার্থী পেয়েছে? তাদের উত্তর থাকবে একটাই কোনো ফ্রেন্ড অথবা কোনো ভাইয়ার মাধ্যমে। তাই আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে সপ্তাহে তাদের খোঁজ নিতে থাকুন। সপ্তাহে দুই বার তাদের সাথে এভাবে টিউশন দেওয়ার ব্যাপারে কথা চালান আর আপনার কেন টিউশনটা করানো দরকার তার গুরত্ব বোঝান। ব্যাপারটা একদম একটা চাকরি করার মতো। দেখবেন ১ মাসের মধ্যে আপনি টিউশনি পেয়ে যাবেন গ্যারান্টিড। আর ভাবছেন পরবর্তী টিউশনি কিভাবে পাবেন? ১ম টিউশনটিতে সততার আর সময়ানুবর্তিতার পরিচয় দিন কেমন পড়ান তার থেকে বেশি নির্ভর করে আপনি কতটা বিশ্বাসযোগ্য। তারপর দেখবেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরো টিউশন পাওয়া শুরু করেছেন। তবে যদি সে ক্ষেত্রে ঢিলামির পরিচয় দেন তাহলে কিন্তু স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাই আপনার প্রতিদান দেখিয়ে দিবে।

২. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

ইভেন ম্যানেজমেন্ট কি? কোন একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পরিচালনার দায়িত্ব পালন করা। ছাত্র বয়সে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেটা কিভাবে সম্ভব? এরকম কাজ আমরা কিভাবে পাবো?

ভালো করে খেয়াল করে দেখবেন কলেজ জীবনে আমাদের কিন্তু কম ইভেন্টের সম্মুখীন হতে হয় না! সারাবছর ফেস্ট, ফেয়ারওয়েল, ক্লাস পার্টি হরহামেশা লেগেই থাকে। আর ভার্সিটিতে উঠলে? সেটা আবার বলতে হয়? ভার্সিটিতে তো মনে হয় যেনো ১২ মাসে ১৩ পার্বণ।

তো এইসকল ইভেন্ট গুলোতে চোখ কান খোলা রাখুন এবং নিজের অনুসন্ধিৎসু মনটাকে আবার কাজে লাগান। কিভাবে? আমার মাধ্যমে একটি উদাহারন দেই, কলেজে রাইটার্স ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত থাকার সময় লক্ষ্য করি আমাদের ক্লাবের একটি প্রোগ্রামে কোনো ভালো টিশার্টদাতা নেই। ব্যস ঠিক তখনি মাথায় আসে একটা চেষ্টা তো চালানো যেতে পারে! ঠিক তখনি আমি আমার এক বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করি কেননা ওর বাবার টিশার্টের ব্যবসা আছে আর ওর মাধ্যমে আমি ক্লাবের প্রোগ্রামের ভলেন্টিয়ারদের জন্য টিশার্ট অর্ডার দেই। আংকেল যথারীতি আমাকে টিশার্ট গুলো দেয়, আর আমি সেগুলো কেনা দাম থেকে অল্প একটু বেশি কমিশন রেখে বিক্রি করে দেই। ব্যস! বিনা ইনভেস্টমেন্টে হালকা একটু লাভ করে ফেলি। তারপর থেকে কলেজের সব প্রোগ্রামগুলোতে টি-শার্ট বিলি করার জন্য ওতপেতে থাকতাম। আর অর্ডারো পেতাম অনেক। আর ডিজাইনগুলো আমার বিভিন্ন বন্ধুরা করে দিত। বদলিতে ওদেরকেও কমিশন দেওয়ার লাগতো যদিও। এখান থেকে যে টিশার্ট বানানো শুরু করলাম এই ধারাবাহিকতা আমি পরবর্তীতে অনলাইনে এবং আমার ভার্সিটির উঠার পরেও বজায় রাখি। বলে রাখা ভালো এই কাজ কিন্তু কঠোর পরিশ্রম ছাড়া মোটেও সম্ভব না।

আপনারাও চাইলে বিভিন্ন বন্ধু মিলে শুরু করতে পারেন। সেক্ষেত্রে একা করতে যাবেন না। আর সবসময়ই যে টিশার্ট নিয়েই করতে হবে সেটা আবশ্যক নয়। ডেকোরেশন, ক্যাটারিং সহ আরো অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত আছে। পরিশেষে দরকার একটুখানি সাহস আর আগ্রহ ব্যস।

৩. মৌসুমভিত্তিক ও অন্যান্য

বিভিন্ন মৌসুমকে কেন্দ্র করে উদ্যোগ নিতে পারেন। যেমন ধরুন এই মৌসুমে আমরা যশোর থেকে আম এনে আমাদের মহল্লায় বিক্রি করে বেশ লাভবান হয়েছি। যেহেতু আমরা ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলের দল তাই সবাই আমাদের বেশ সমীহ করেছে তো সেই সুবাদে আমরা সততা বজায় রেখে মণকে মণ আম বেচাকেনা করেছিলাম। এছাড়া ছাত্র বয়সে কবুতর অথবা পাখি পালতে পারেন দৈনিক ১ ঘন্টা এর প্রতি সময় দিবেন আর তারপর খালি বাচ্চা বেচা কেনা করবেন। আমি বেশ ভালো আয় করতাম পাখি বেচে কিন্তু গত ১ বছর হয়েছে অফ করেছি।

আমি মনে করি একরকম উদ্যোগতা মনস্ক মানসিকতা থাকলে যেকোনো বিষয়ের উপর সুযোগ নেওয়া উচিত। যেমন এইবার আমরা করোনাকে কেন্দ্র করে মাস্কো পাইকারি রেটে ন্যায্য দামে বিক্রি করেছিলাম। আপনার উদেশ্য যদি সৎ হয় আর থাকে অনুসন্ধিৎসুক এক মন তাহলে টাকা আয় করার ১০১ উপায় সামনে এসে ধরা দেয়। শুধু আপনার একটু খানি সাহস এবং আগ্রহ লাগবে তাহলে পারবেন সব কিছু।

পরিশেষে বলতে চাই পরিশ্রম লাগবে কিন্তু প্রচু…র, এটা মাথায় রাখতে হবে। আর এতো কিছু শোনার পর আপনার কি মনে হয় না একজন স্কুল/ কলেজের ছাত্র হিসেবে প্রতিদিন ১ ঘন্টা সময় যেকোনো স্কিল এর উপর ব্যয় করে ১ বছর পর হাজার হাজার টাকা আয় করবেন, এইটা অনেক সোজা?

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category