1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf
মানব শারীরতত্ত্ব : রক্ত ও সঞ্চালন - Samagra Bangla

মানব শারীরতত্ত্ব : রক্ত ও সঞ্চালন

  • Update Time : Wednesday, February 3, 2021

সাধারণ আলোচনা:
‘রক্ত ও রক্ত সংবহনতন্ত্র’ অধ্যায়টি ভর্তি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় এ অধ্যায় থেকে প্রশ্ন এসে থাকে।

♦ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা:
১। রক্ত : রক্ত এক ধরনের ঘন, অস্বচ্ছ, ক্ষারধর্মী, আন্তঃকোষীয় তরল যোজক কলা।
২। রক্তকে যোজক কলা বলা হয়। কারণ রক্তে কোষের পরিমাণ কম থাকে এবং কোষ মধ্যবর্তী তরল পদার্থ (রক্তরস) বেশি থাকে, তাই রক্তকে যোজক
কলা বলা হয়।

রক্ত⇒ রক্তরস(৫৫%) প্লাজমা এবং রক্তকণিকা/রক্তকোষ (৪৫%) বা করপাসল।

রক্তরস(৫৫%) প্লাজমা⇒ (৯০-৯২%) এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ(৮-১০%)।

রক্তকোষ (৪৫%) বা করপাসল⇒ লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা এবং অণুচক্রিকা।

দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ(৮-১০%)⇒ জৈব পদার্থ(৭.১-৮.১%) এবং অজৈব পদার্থ (০.৯%)

৩।রক্তের উপাদানসমূহ :
(১) প্লাজমাপ্রোটিন : অ্যালবুমিন (Albumin), , গ্লোবিউলিন (Globulin), ফ্রিব্রিনোজেন Rb (Fibrinogen), প্রোথ্রোম্বিন (Prothrombin)
(২) স্নেহেদ্রব্য
(৩) কার্বোহাইড্রেট-গ্লুকোজ
(৪) অপ্রোটিন নাইট্রোজেনযুক্ত যৌগ।
(৫) রঞ্জকদ্রব্য-বিলিরুবিন, বিলিভারডিন।
(৬) এসিড দ্রব্য-ল্যাকটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড।
(৭) হরমোন, ভিটামিন, এনজাইম।

৪। রক্তের পরিমাণ : ৫-৬ লিটার। সুস্থ শরীরের প্রতি ১০কেজি তে ১লিটার রক্ত থাকে। রক্তের ওজন মানব শরীরের মোট ওজনের ৮%।
৫। রক্তের pH : ৭.২-৭.৪ (গড় ৭.৪)
৬। রক্তের তাপমাত্রা : ৩৬ ডিগ্রি-৩৮ডিগ্রি
৭। রক্তের অভিস্রবণিক চাপ : 25mm of Hg.
৮। সান্দ্রতা : পানির তুলনায় ৪.৫ গুণ।
৯। আপেক্ষিক গুরুত্ব : ১.০৬৫
১০। বর্ণ : (১) শিরার রক্ত কালচে(due to CO2) লাল ; (২) ধমনীর রক্ত উজ্জ্বল লাল(due to O2)
১১। প্রকৃতি : ক্ষারীয়।
১২। স্বাদ : লবণাক্ত (অজৈব লবণের উপস্থিতির কারণে রক্ত লবণাক্ত)।

রক্তরস : রক্তের হালকা হলুদ বর্ণের তরল অংশকে রক্তরস বা Plasma বলে।
কাজ :
১। খাদ্যসার পরিবহণ।

২। বর্জ্যদ্রব্য বৃক্কে পরিবহণ।
৩। CO2 রক্তে বাইকোর্বোনেটরূপে দ্রবীভ‚ত থাকে।

৪। সামান্য পরিমাণ O2 বহন।
৫। হরমোন, এনজাইম, লিপিড পরিবহণ।

৬। অম্ল -ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা।
৭। রক্তকণিকাসম হকে ধারণ করে

৮। রক্তের তরলতা রক্ষা করে।
৯। রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।

১০। রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

♦ রক্তকোষ বা রক্তকণিকাসমূহ (The Cells or Corpuscles)
১। রক্তের ৪৫% রক্তকণিকা। ইহা রক্তরসের মধ্যে চুবানো বা ডুবানো (Suspended) অবস্থায় অবস্থান করে।
২। প্রকার : ৩ প্রকার।
৩। নাম : (১) লোহিত রক্তকণিকা বা Erythrocyteবা Red blood Cell বা R.B.C
(২) শ্বেতরক্তকণিকা বা Leucocytey বা white blood cell বা W.B.C।
(৩) অনুচক্রিকা বা Platelets বা Thrombocytes ।

(১) RBC বা লোহিত রক্তকণিকা :
১। বৈশিষ্ট্য : RBC দেখতে দ্বিঅবতল, নিউক্লিয়াসবিহীন ও চাকতির মতো। RBC-তে Hb. হিমোগে্লাবিন থাকে। Hb থাকার কারণে মানুষের রক্ত লাল। লোহিত রক্তকণিকা ৬০-৭০% পানি ও ৩০% কঠিন পদার্থ দ্বারা গঠিত। কঠিন পদার্থের ৯০% হিমোগে্লাবিন।

২। পরিমাণ : পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে গড়ে প্রায় ৫ মিলিয়ন লোহিত কণিকা থাকে। সুস্থ দেহে প্রতি ১০০ মিলি লিটার রক্তে ১৫ গ্রাম হিমোগে্লাবিন থাকে।

সংখ্যা : বিভিন্ন বয়সের মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে রক্তকণিকার সংখ্যা হচ্ছে ঃ
ভ্র্ণদেহের : ৮০–৯০ লক্ষ
শিশুর দেহে : ৬০–৭০ লক্ষ
পূর্ণবয়স্ক পুরুষে : ৫০ লক্ষ
পূর্ণবয়স্ক স্ত্রীদেহে : ৪৫ লক্ষ

RBC এর উৎপত্তিস্থল : (১) ভ্রুণীয় জীবনে যকৃত, প্লীহা, থাইমাস।
(২) জন্মের পর থেকে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত দেহের সব লম্বা অস্থিমজ্জার হিমোসাইটোব্লাস্ট নামক কোষে।
(৩) জীবনের বাকি সময় হিউমেরাস, ফিমার, স্টার্নাম, কশেরুকা, পর্শুকার অস্থির শেষপ্রান্ত থেকে।

লোহিত কণিকার কাজ :
(১) কণিকার অভ্যন্তরীণ Hb, O2 পরিবহণ করে।
২) CO2 নিষ্কাশন করে।
(৩) Hb বাফার হিসেবে কাজ করে রক্তের সাধারণ ক্রিয়া বজায় রাখে।
(৪) রক্তের সান্দ্রতা রক্ষা করে।
(৫) রক্তের Plasma এর সাথে অভিস্রবণিক স¤পর্ক বজায় রাখে।
(৬) ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে পিত্তের প্রধান রঞ্জক বিলিরুবিন উৎপন্ন করে।

RBCসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য :

(১) নিউক্লিয়াস না থাকায় Hb বেশি পরিমাণO2 বহন করতে পারে।
(২) দ্বিঅবতল আকৃতির জন্য তলীয় ক্ষেত্রফল অনেক বেশি হওয়ায়, বেশি O2 এর সাথে সংযুক্তির সম্ভাবনা থাকে।
(৩) রক্ত কিছুটা লঘুসার হয়ে পড়লেও এরা ফেটে যায় না, পিংপিং বলের মতো গোল হয়ে উঠে এবং নিজেদের টিকিয়ে রাখে।
(৪ সংকীর্ণ রক্তজালকের মধ্যে দিয়ে অতিক্রমণকালে এরা নিজেদের আকৃতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। একে ডায়াপেডেসিস বলা হয়।

♦ নিউক্লিয়াস :

(১) WBC-তে নিউক্লিয়াস থাকে। ২) ইরাইথ্রোব্লাইট বা অপরিণতR.B.C তে নিউক্লিয়াস থাকে। (৩) পরিণত RBC-তে নিউক্লিয়াস থাকে না। (৪) অনুচক্রিকা নিউক্লিয়াস বিহীন।

(২) শ্বেতরক্তকণিকা (WBC) :

শ্বেতকণিকা⇒ দানাহীন(Agranul ocyte) এবং দানাময় (Granulocyte)

দানাহীন(Agranul ocyte)⇒ লিস্ফোসাইট (Lymphocyte) এবং মনোসাইট (Monocyte)

দানাময় (Granulocyte)⇒ নিউট্রোফিল (Neutrophil), ইউসিনোফিল(Eosinophil), বেসোফিল(Basophiol)

(i) মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে ৫০০০- ৮০০০ শ্বেতকণিকা আছে।
(ii) শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বেড়ে যায়।
(iii) রক্তে লোহিত রক্তকণিকা ও শ্বেতরক্তকণিকার অনুপাত ৭০০ : ১ (কোথাও কোথাও এই অনুপাত ৫০০ :১)

(iv) অস্থিমজ্জায় : t RBC : WBC- 1 : 50|
WBC এর উৎপত্তিস্থল : প্লীহা, লসিকাগ্রন্থি, লোহিত অস্থিমজ্জার হিমোসাইটোবøাস্ট থেকে।

২। Agranulocyte শ্বেতকণিকার কাজ :
(i)  Lymphocyte অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে।
(ii) লিম্ফোসাইট থেকে ফাইব্রোবøাস্ট সৃষ্টি হয়ে কলার ক্ষয়পূরণ করে।
(iii) মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
(iv) লিমফোসাইট ও মনোসাইট উভয়ই প্লাজমাপ্রোটিন থেকে ট্রিফোন নামক কলাকোষের পুষ্টিকারক পদার্থ উৎপন্ন করে।

৩। Granulocyte শ্বেতকণিকার কাজ :
(র) নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে।
(রর) ইউসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নিঃসরণ করে দেহের রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
(ররর) বেসোফিল নিঃসৃত হেপারিন রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতর জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।

 বিভিন্ন শ্বেতকণিকা :
১। লিম্ফোসাইট : (i) সমসত্ত¡ ও ক্ষারসক্ত সাইটোপ্লাজমের পাতলা স্তরাবৃত।
(ii) বড় নিউক্লিয়াস, ছোট কণিকা।
(iii) এরা কৈশিকনালী থেকে যোজক কলায় অভিযাত্রী হতে পারে।

২। মনোসাইট : (i) প্রচুর সাইটোপ্লাজম থাকে।
(ii) ডিম্বাকার বা বৃক্কাকার নিউক্লিয়াস থাকে।
(iii) বড় কণিকা থাকে।

৩। নিউট্রোফিল : সাইটোপ্লাজম বর্ণ নিরপেক্ষ দানাযুক্ত।

৪। ইওসিনোফিল : ইহার দানাগুলো ইওসিন রঞ্জকে লাল বর্ণ ধারণ করে।
৫। বেসোফিল : কোষগুলি গোলাকার, সাইটোপ্লাজমের দানাগুলি ক্ষারধর্মী রঞ্জক দ্বারা রঞ্জিত হয়ে নীলবর্ণ ধারণ করে। বেসোফিল হেপারিন উপাদান ধারণ করে।

♦ থ্রম্বোসাইট বা অনুচক্রিকা :
আকার : থ্রম্বোসাইট ক্ষুদ্রতম রক্তকণিকা। এরা গোল, ডিম্বাকার বা রঙের মত আকারবিশিষ্ট, এরা দানাদার।Ñ নিউক্লিয়াস : অনুচক্রিকায় নিউক্লিয়াস থাকে।
আয়তন : থ্রম্বোসাইট প্রায় 3m ব্যাসবিশিষ্ট, তবে 4–5m ব্যাসসম্পন্ন বড় আকারের থ্রম্বোসাইটও আছে।
সংখ্যা : প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ২.৫–৫ লক্ষ থ্রম্বোসাইট থাকে। অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা আরও বেশি হয়।
গঠন : থ্রম্বোসাইটে প্রোটিন ও প্রচুর পরিমাণ সেফালিন নামক ফসফোলিপিড থাকে।
উৎপত্তি : একদল বিজ্ঞানীর মতে, লাল অস্থিমজ্জার বড় মেগাক্যারিওসাইট এর ভঙ্গুর ক্ষণপদ থেকে এদের উৎপত্তি হয়। অপরদলের মতে, শ্বেতকণিকা থেকে থ্রম্বোসাইটের সৃষ্টি হয়।
পরিণতি : আয়ু শেষ হলে থ্রম্বোসাইট প্লীহা ও অন্যান্য রেটিকুলো-এন্ডোথেলিয়াল কোষে বিনষ্ট হয়।

Platelet এর উৎপত্তিস্থল : লোহিত অস্থিমজ্জার ম্যাগাক্যারিওসাইট নামক কোষ।

অনুচক্রিকা (Platelet ) এর কাজ :
(i) রক্তের তঞ্চনে অংশ নেয়।
(ii) রক্তজালিকার ক্ষতিগ্রস্ত এন্ডোথেলিয়াম আবরণ পুনর্গঠনে অংশ নেয়।
(iii) বিভিন্ন সংকোচনধর্মী পদার্থ ক্ষরণ করার মাধ্যমে রক্তবাহিকার সংকোচন ঘটিয়ে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

♦ সিরাম (Serum) : রক্ত তঞ্চন বা জমাট বাঁধার পর যে রক্তপিÐ তৈরি হয় উহা আবার সংকোচিত হয়, ফলে জমাটবদ্ধ রক্ত থেকে জলীয় অংশ বের হয়ে আসে। এই পদার্থের নাম সিরাম। ইহার বর্ণ হালকা হলুদ। রক্তরসে রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান থাকে কিন্তু সিরামে রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান থাকে না।

♦রক্ত তঞ্চন পদ্ধতি : দেহের ক্ষতস্থানে রক্তবাহিকা থেকে তরল রক্ত বেরিয়ে ঘন জেলীর মত থকথকে পিÐে পরিণত হলে তাকে রক্ত জমাট বলে। রক্তরস থেকে রক্তজমাটের পৃথকীকরণ প্রক্রিয়াকে রক্ত তঞ্চন বা রক্তের জমাট বাঁধা বলে।

♦রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান :
১। সংখ্যা : ১৩টি।
২। মানবদহে ৬নং ফ্যাক্টর অনুপস্থিত।
৩। গুরুত্বপুর্ণ : প্রথম ৪টি।
৪। প্রথম ৪টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণে : এদের ছাড়া রক্ত জমাট বাঁধে না।
৫। বাকিগুলো না থাকলে রক্ত জমাট বাঁধবে, তবে দেরি হবে।
৬। রক্ত প্রবাহের সময় দেহাভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধে না কারণ :
(i) রক্তের হেপারিন নামক আমিষ রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়।
(ii রক্তনালীর ভেতর দিয়ে রক্ত দ্রুতগতিতে প্রবাহিত হয়।
(iii) রক্তনালীর অভ্যন্তরে গাত্র মসৃণ।

♦ রক্ত তঞ্চন পদ্ধতি :
১। ক্ষতস্থানে থ্রম্বোসাইটের ভাঙনের ফলে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক উৎসেচক বের হয়।
২। থ্রম্বোপ্লাস্টিন + Ca2+ + + অন্যান্য উপাদান → থ্রম্বিন।
৩। থ্রম্বিন + ফাইব্রিনোজেন → ফাইব্রিন মনোমার → ফাইব্রিন পলিমার → ফাইব্রিন জালক সূ² তন্তুর মতো।
৪। ফাইব্রিন জালক ক্ষতের মুখে বিস্তৃত হয়ে ক্ষতের মুখ বন্ধ করে দেয়।
৫। ফাইব্রিন জালকে রক্ত কণিকাসমূহ আবদ্ধ হওয়া → রক্ত জমাট বাঁধা।

♦ দ্রুত রক্ত তঞ্চনের কারণ :
১। রক্তের উষ্ণতা বাড়লে। ২। অমসৃণ তলের ¯পর্শ পেলে।
৩। কলা নির্যাসের দ্রুত ইনজেকশান নিলে। ৪। Vitamin K ইনজেকশান নিলে বা খেলে।
৫। অ্যাড্রেনালিনের ইনজেকশান নিলে। ৬। রক্তের সাথে CaCl2 মিশালে।
৭। রক্তের সাথে থ্রম্বিন মেশালে।
৮। রক্তের সাথে থ্রম্বোপ্লাসটিন মিশালে।

♦কতিপয় বিশেষ সংজ্ঞা :
১। হিমোপয়েসিস : রক্ত তৈরির প্রক্রিয়া (পয়েসিস অর্থ তৈরি করা)।
২। ইরাইথ্রোপয়েসিস : RBC তৈরির প্রক্রিয়া।
৩। লিউকোপয়েসিস : WBCতৈরির প্রক্রিয়া।
৪। থ্রম্বোপয়েসিস :Platelets তৈরির প্রক্রিয়া।
৫। ইরাইথ্রোসাইটোসিস : RBC এর পরিমাণ বেড়ে গেলে।
৬। লিউকোসাইটোসিস : পরিণত WBC এর পরিমাণ ১১,০০০ এর বেশি হলে।
৭। হিমোলাইসিস :RBCভাঙার প্রক্রিয়া (লাইসিস অর্থ ভাঙ্গা)।
৮। রক্তস্বল্পতা : প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ৫ মিলিয়নের চেয়ে ২৫% কম হলে রক্তাল্পতা হয়।
৯। পলিসাইথেমিয়া : লোহিত কণিকার সংখ্যা ৬.৫ মিলিয়নের চেয়ে বেশি হলে তাকে পলিসাইথেমিয়া নামে অভিহিত করা হয়।
১০। লিউকোমিয়া(Blood Cancer) : অপরিণত ডইঈ এর পরিমাণ ৫০,০০০ এর বেশি হলে।
১১। থ্রম্বোসিস : রক্ত নালিকার অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধলে।
১২। জন্ডিস : বিলিরুবিনের পরিমাণ বাড়লে Normal : 0.3-1 gm/dl)
১৩। অ্যানিমিয়া :Hb এর পরিমাণ কমে গেলে (Normal : 12-16 gm/dl)
১৪। হাইপারটেনশন : Blood Pressure (রক্তচাপ) বেড়ে গেলে।
[রক্তচাপ : Normal : Systolic : 120 mm Hg ; Diastolic : 80 mm Hg]]
১৫। Stroke : মস্তিষ্কের রক্ত ক্ষরণ।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category