1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

ভুলবশত নগদ বা বিকাশ নাম্বারে টাকা গেলে করনীয় কি?

  • Update Time : Sunday, October 18, 2020

ভুলবশত একটি বিকাশ নাম্বারে ৩০ হাজার+ টাকা দিয়ে দিয়েছি। এখন কল দিচ্ছি কিন্তু রিসিভ করছে না। ঐ টাকাটা ফেরত আনতে কী করতে পারি?
অনেক সময় বিকাশে আর্থিক লেনদেনে অসাবধানতাবশত ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়। মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আর্থিক লেনদেন করায় এই ভুলটি হয়ে থাকে।

এ সমস্যায় পড়ে অনেকেরই টাকা খোয়া যায়। তাই এমন ভুল হয়ে গেলে টাকা ফেরত পেতে কী কী করণীয় তার একটি নির্দেশনা দিয়েছে বিকাশ।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রথমেই যে পরামর্শ দিচ্ছে তা হলো– টাকা ভুল নম্বরে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন দেবেন না। কারণ ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে, তা ফিরিয়ে দেয়ার মানসিকতা খুব কম লোকই রাখে। তাই তিনি টাকা উঠিয়ে ফেললে, ভুক্তভোগীর করার কিছুই থাকবে না।

সে জন্য অ্যাকাউন্ট থেকে ভুলবশত কোনো নম্বরে টাকা গেলে প্রথমে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলেছে বিকাশ। সেখানে ট্রানজেকশন নাম্বার নিয়ে জিডি করে যত দ্রুত সম্ভব সেই জিডি কপি নিয়ে বিকাশ অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বিকাশ অফিসে অভিযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে বিকাশ কর্মকর্তারা জিডি কপি এবং মেসেজ খতিয়ে দেখেন।

এর পর ভুলে টাকা চলে গেলে ওই ব্যক্তির বিকাশ অ্যাকাউন্ট টেম্পোরারি লক করে দেয়। যাতে তিনি কোনো টাকা তুলতে না পারেন।

এর পরক্ষণই ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন বিকাশ কর্মকর্তারা। প্রাপক ফোন ধরে যদি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই টাকা নিজের নয় বলে জানায়, তখন অফিস থেকেই টাকাটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে স্থানান্তর করে দেয় বিকাশ।

আর যদি ওই ব্যক্তি নিজের টাকা বলে দাবি করেন, তা হলে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে প্রমাণসহ অফিসে এসে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ দেয় বিকাশ কর্তৃপক্ষ।

সেই নির্দেশনা না মেনে পরবর্তী ৬ মাসে ব্যক্তি না এলে ভুক্তভোগী প্রেরকের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। এর পরবর্তী ৬ মাসেও না এলে অ্যাকাউন্টটি চিরতরের জন্য অটো ডিজেবল হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত এই পদ্ধতি শুধু বিকাশেই নয়, রকেট এবং নগদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category