1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  3. mahmudursir@gmail.com : samagra :

বুদ্ধিজীবী নিধন পরিকল্পনায় আশরাফুজ্জামানকে ‘চিফ এক্সিকিউটর’ এবং মুঈনুদ্দীনকে ‘অপারেশন ইনচার্জ’ বলে উল্লেখ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২১

মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা। একাত্তর সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা অন্তত তিনটি মামলার রায়ে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র, সহযোগিতা ও হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তা উঠে এসেছে।

আরো পড়ুন আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

তিন মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনার পাশাপাশি মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন আশরাফুজ্জামান ওরফে নায়েব আলী খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর দেওয়া রায়ে আশরাফুজ্জামানকে বুদ্ধিজীবী নিধন পরিকল্পনার ‘চিফ এক্সিকিউটর’ এবং মুঈনুদ্দীনকে ‘অপারেশন ইনচার্জ’ বলে উল্লেখ করেন। এই রায়ের পর আট বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের ফেরত আনা যায়নি।

স্বাধীনতার পরপর মুঈনুদ্দীন পাকিস্তানে চলে যান এবং এরপর সেখান থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান। এখন তিনি টটেনহামে আছেন। মুঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের মুসলিম স্পিরিচুয়াল কেয়ার প্রভিশনের পরিচালক। আর আশরাফুজ্জামান থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যামাইকায়। তিনি ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকার (আইসিএনএ) সদস্য।

মুঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাত্তর সালে ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোট ১১টি অভিযোগ আনা হয়ছিল, ট্রাইব্যুনালের রায়ে সব কটি প্রমাণিত হয়েছে।

ওই ১৮ জন বুদ্ধিজীবী হলেন, দৈনিক ইত্তেফাকের তৎকালীন কার্যনির্বাহী সম্পাদক সিরাজুদ্দীন হোসেন, পিপিআইয়ের (পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল) প্রধান প্রতিবেদক সৈয়দ নাজমুল হক, দৈনিক পূর্বদেশের প্রধান প্রতিবেদক এ এন এম গোলাম মোস্তফা, বিবিসির সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন আহমেদ, শিলালিপির সম্পাদক সেলিনা পারভীন, দৈনিক সংবাদের যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লা কায়সার, অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক খান, ড. মো.মুর্তজা, ড. আবুল খায়ের, ড. ফয়জুল মহিউদ্দিন, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও কার্ডিওলজির অধ্যাপক ফজলে রাব্বী ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আলীম চৌধুরী।

১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দিবাগত রাত থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বুদ্ধিজীবীদের অপহরণের পর হত্যা করা হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ পরে রায়েরবাজার ও মিরপুরের বধ্যভূমিতে পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে ফিরিয়ে আনতে সরকার চেষ্টা করছে বলে জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সূত্রঃ বিভিন্ন ওয়েব

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category