1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

কাউকে বিয়ে করার আগে কী কী জানা উচিত?

  • Update Time : Friday, May 29, 2020

বিয়ের আগে এই ৪ টি মেডিক্যাল টেস্ট করানো জরুরি !

বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর কয়েকটি মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো অতি আবশ্যক। এখনকার সমাজ অনেক এগিয়ে। বাবা-মায়ের প্রজন্ম এর মাহাত্ম্য না বুঝলেও, আজকালকার আধুনিক ছেলেমেয়েরা কিন্তু এর গুরুত্ব বোঝে। ফলত, বিয়ে করে আপশোস করার চেয়ে পাত্র/পাত্রীর স্বাস্থ্য কেমন, সেটাও খতিয়ে দেখে। এক্ষেত্রে পাত্র/পাত্রীর বাড়ির লোকেরও তৎপরতা প্রয়োজন। বিয়ের আগে কী কী মেডিক্যাল টেস্ট করানো উচিত জেনে নেওয়া যাক –

  • যৌনসংক্রমণ আছে কি না: অর্থাৎ সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ় (STD) । এখনকার ছেলেমেয়েরা সেক্সের ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে। বিয়ের আগেই অনেক রকম অভিজ্ঞতা হয় তাদের। শুধু তাই নয়। অধিকাংশেরই একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে লিপ্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। ফলে কার শরীরে কোনও সংক্রমণ আছে, কেউ তা যাচাই করে দেখে না। এদিকে যথাযথ সময় বিয়েটাও করে নেয়। ফলত পাত্র/পাত্রী HIV, গনোরিয়া, সিফিলিসের মতো যৌনরোগে আক্রান্ত কি না বলা কঠিন। তাছাড়া, কেউ এই নিয়ে মুখ খোলে না। একমাত্র মেডিক্যাল টেস্ট করালেই গোপন সংক্রমণ ধরা পড়তে পারে।
  • শুক্রাণু পরীক্ষা: বিয়ের পর সব দম্পতিই সন্তান নিতে চান। কিন্তু অনেকসময় সন্তান ধারণে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় স্বামী-স্ত্রীকে। এর কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রী দু-জনেই। স্ত্রীর শরীর অনেকসময় সন্তান ধারণের উপযুক্ত পরিস্থিতিতে থাকে না বলে সন্তান আসে না। কিন্তু সেটা আগে থেকে জানা যায় না। তবে পুরুষের অক্ষমতা কিন্তু মালুম হয় শুক্রাণু পরীক্ষা করালেই।
  • ব্লাড গ্রুপ: পাত্র/পাত্রীর ব্লাড গ্রুপ জানাও খুব জরুরি। কারণ নেগেটিভ ও পজ়িটিভ ব্লাড গ্রুপের নারীপুরুষের বিয়ে হলে পরবর্তীকালে সন্তান ধারণে ঘটতে পারে বিপত্তি। তবে এই শঙ্কাটি দেখা দেয় দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে। অনেকসময় গর্ভেই সন্তান মারা যায়। কিংবা জন্মের পর তার মারাত্মকরকম জন্ডিস হয়। মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় এটি রোধ করার পদ্ধতি আছে। সন্তান জন্মানোর সময় মায়ের শরীরে অ্যান্টিবডি ইঞ্জেকশন দিলে ক্ষতির সম্ভাবনা কমতে পারে।
  • মানসিকরোগ পরীক্ষা: সাধারণ মেডিক্যাল পরীক্ষায় সাইকোলজিক্যাল সমস্যা ধরা পড়ে না। কিন্তু সত্যি বলতে কী, কোনও ব্যক্তিকে বিয়ে করার আগে সে স্বাভাবিক কি না জানা খুব দরকার। অর্থাৎ, দেখা দরকার তার কোনও মানসিক সমস্যা আছে কি না। এটি খতিয়ে দেখার জন্য পাত্র/পাত্রীর আচার ব্যবহার লক্ষ্য করতে হবে। পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব ও অফিসের লোকজনের থেকে খোঁজখবর নিতে হবে। বিয়ের সময় পাত্র/পাত্রীর বাড়ির লোক তাঁদের ছেলেমেয়ে সম্পর্কে কোনও খারাপ কথা বলে না। কিন্তু বিয়ের পর ধরা পড়ে আসল রূপ। সুতরাং, পাত্র/পাত্রীর মানসিক সমস্যা আছে কি না সেটা দেখা খুব জরুরি।
    প্রয়োজনে সাইকোলজিস্টের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category