1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. samagrabangla@gmail.com : admin :
  4. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  5. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  6. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf
Title :
‘ইউটিউব’-এ কত ‘ভিউ’ হলে কত টাকা আসে? হবিগঞ্জ উদ্ভাবনী বিজ্ঞান ক্লাবের আন্তঃকমিটির সভা অনুষ্ঠিত সেবার সাধরণ পাঠাগারে বই পড়া প্রতিযোগিতা কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন হবিগঞ্জের তাহসান খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হবিগঞ্জে বিশ্বমানের লেগস্পিনারের সন্ধান ; খেলতে চায় জাতীয় দলে কক্সবাজারে বাস মাইক্রো মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ ; আহত ৯ শর্তসাপেক্ষে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে যাওয়ার অনুমতি পেলেন মামুনুল হক শায়েস্তাগঞ্জ Rapid ICT কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় শায়েস্তাগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার ১ম স্থান অর্জন

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা

  • Update Time : Saturday, January 30, 2021

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রাম ও শহর ভিত্তিক এ দুইভাগে বিভক্ত। গ্রাম ভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ এ ৩ স্তর বিশিষ্ট। শহর ভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এ ২ স্তর বিশিষ্ট।

♦ জেলা পরিষদ:
গ্রাম ভিত্তিক স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের ১৩১ বছরের ইতিহাসে ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ প্রথমবারের মতো পার্বত্য তিন জেলা- রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচন। ১১ জানুয়ারি ২০১৭ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রী কাছে এবং ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নির্বাচিতরা শপথ গ্রহণ করেন। ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত। জেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা-২১ জন।

তথ্য কণিকা:

♦জেলা পর্যায়ের স্থানীয় প্রশাসনের নাম- জেলা পরিষদ।
♦ জেলা পরিষদ বিল ২০০০ জাতীয় সংসদে পাস হয়- ৩ জুলাই ২০০০।
♦ বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মহিলা ডিসি নিয়োগ করা হয়- ২০ মার্চ, ২০০১।
♦ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত দেশের প্রথম ও একমাত্র নারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হলেন রংপুর জেলার ছাফিয়া খানম।

♦ উপজেলা পরিষদ:
♦ উপজেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
♦ উপজেলা পরিষদের সচিব- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
♦ উপজেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা – ৩ জন।
♦ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান- ২ জন (এদের মধ্যে ১ জন নারী)।
♦ উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক- লে. জে. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
♦ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর ।
♦ দেশের সকল প্রশাসনিক থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়- ১৯৮৫ সালে।
♦ উপজেলা পরিষদ বাতিল ঘোষণা করা হয়- ২৩ নভেম্বর ১৯৯১ সালে।
♦ উপজেলা ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তণ করা হয়- ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৮, সংসদে আইন পাস করে।
♦ প্রশাসনিক থানাকে পুনরায় উপজেলা নামে অভিহিত করা হয়- ২০ এপ্রিল, ২০০০ সালে।
♦জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল- ২০০১’ পাস হয়- ৪ এপ্রিল, ২০০১ সালে।
♦ দেশের সর্বশেষ উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর।

উপজেলা ও থানা:

বাংলাদেশ বর্তমানে উপজেলা ৪৯৩টি
বাংলাদেশে থানার সংখ্যা ৬৫০টি
সর্বশেষ উপজেলা ডাসার, মাদারীপুর
সর্বশেষ থানা হাতিরঝিল, ঢাকা
বাংলাদেশের বর্তমানে নৌথানা ২টি (মদনা ও মারকলি)
বাংলাদেশের রেলওয়ে থানা ২৪টি
বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিম কোণের থানা তেতুলিয়া, পঞ্চগড়
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোণের থানা জকিগঞ্জ, সিলেট
বাংলাদশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের থানা শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের থানা টেকনাফ, কক্সবাজার

 

♦ইউনিয়ন পরিষদ:
ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের পরিবর্তে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়- ১৯৭৩ সালে।
সর্বশেষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ২০১৬ সালে।
ইউনিয়ন পরিষদকে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়- ১৯৯৩ সালে।
ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য সংখ্যা- ৩ জন।
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন- সাজেক (বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি)।
ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিধান করা হয়- ১৯৯৭।
মোট ইউনিয়ন পরিষদ- ৪,৫৫৪টি (উৎস : জাতীয় তথ্য বাতায়ন)।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সংক্ষা-১৩ জন। চেয়ারম্যান-১ জন্য, সাধারণ সদস্য- ৯ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য-৩ জন।

পৌরসভা:
শহরাঞ্চলে নিম্নতম স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পৌরসভা। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ অনুযায়ী পৌরসভা গঠিত হবে ১ জন মেয়র, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত সংখ্যক ওয়ার্ডের সমান সংখ্যক কাউন্সিলর এবং কেবল মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত নির্ধারিত সংখ্যক কাউন্সিলরের সমন্বয়। পৌরসভা চেয়ারম্যান বা সদস্য অপসারণের জন্য ২/৩ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের পৌরসভাগুলোকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে শ্রেণি বিভাগ করা হয়।
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট পৌরসভা সংখ্যা- ৩২৮টি।
পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর অপসারণের জন্য ভোটের দরকার-দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের।
শহর এলাকায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হলো- পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।
 পৌরসভা চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বর্তমান পদবি- যথাক্রমে মেয়র ও কাউন্সিলর।

বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভা ৩২৮টি
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৪ সালে
ঢাকা পৌরসভা ‘পৌর কর্পোরেশনে’ রূপান্তিরিত হয় ১৮৭৮ সালে
ঢাকা পৌর কর্পোরেশন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয় ১৯৯০ সালে
বাংলাদেশের পৌরসভাগুলোকে- জনসংখ্যার ভিত্তিতে শ্রেণি বিভাগ করা হয়েছে
সর্বশেষ পৌরসভা তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ

♦ সিটি কর্পোরেশন
সিটি এলাকায় ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক একক ওয়ার্ড। একজন মেয়র, নির্ধারিত ওয়ার্ডের সমানসংখ্যক কাউন্সিলর এবং নির্ধারিত ওয়ার্ডের এক তৃতীয়াংশ সংখ্যক সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। মেয়র, কাউন্সিলরগণ এবং সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলরগণ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পর্যায় বিশেষে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন। সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ ৫ বছর।

বাংলাদেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন  ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ দুইভাগে ভাগ করা হয় ২৯ নভেম্বর, ২০১১
সিটি এলাকায় ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক একক ওয়ার্ড
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৪টি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৭৫টি
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ও  ৪১টি

 

তথ্য কণিকা:
♦ স্বাধীনতালগ্নে বাংলাদেশের জেলা ছিল ১৯টি।
♦ বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগ- ৮টি।
♦ বাংলাদেশে বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা- ১২টি।
♦ বাংলাদেশে বর্তমানে জেলা- ৬৪টি।
♦ আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা- রাঙামাটি।
♦ আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
♦ জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা- ঢাকা।
♦ জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা- বান্দরবান।
♦ জনসংখ্যায় বৃহত্তম উপজেলা- সদর গাজীপুর ।
♦ জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম উপজেলা- থানচি, বান্দরবান।
♦ বাংলাদশের সর্ব উত্তরের উপজেলা- তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়)।
♦ বাংলাদশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা- টেকনাফ (কক্সবাজার)।
♦ বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলা- থানচি (বান্দরবান)।
♦ বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা- শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)।
♦ দেশে বর্তমানে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৩টি।
♦ নিম্ন পর্যায়ের বা স্থানীয়ভাবে সংগঠিত সরকার ব্যবস্থাকে বলে- স্থানীয় সরকার।
♦ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা যে মন্ত্রণালয়ের অধীন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
♦ বাংলাদেশের স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয়- ১৯৭৬ সালে।
♦ সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন- ময়মনসিংহ।
♦ সিটি করর্পোরেশনের মেয়রকে শপথ বাক্য পাঠ করান- প্রধানমন্ত্রী।
♦ সিটি করর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
♦ বাংলাদেশ প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু- সচিবালয়।
♦ সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বা মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রিত হয়- সচিবালয়ের।

বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনের স্তরগুলো হলো:

স্তরের নাম  প্রশাসনিক প্রধান
বিভাগ বিভাগীয় কমিশনার
জেলা জেলা প্রশাসক  (ডিসি)
উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)

 

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category