1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf
বাংলাদেশের শস্য উৎপাদন ও বহুমুখী করণ - Samagra Bangla

বাংলাদেশের শস্য উৎপাদন ও বহুমুখী করণ

  • Update Time : Saturday, January 30, 2021

♦শস্য উৎপাদন ও বহুমুখী করণ:
কৃষিপ্রধান এদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রধান উপজীবিকা কৃষি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্য শস্যের উৎপাদন হয়েছে- ৩৮৬.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে খাদ্যশস্য (শুধু গম) আমদানি হয়েছে- ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টন বা ৫৩ লাখ ২৯,৭১১ মেট্রিক টন। দেশে বর্তমানে খাদ্যগুদামের কার্যকরী ধারণ ক্ষমতা- ২০.২৩ লক্ষ মে.টন। খাদ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮৪ সালে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো সরকার ২৫ হাজার মেট্রিক টন চাল রপ্তানি করে- শ্রীলংকায়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ কার্যকর হয়- ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫।

কৃষিজ পন্য উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা

পণ্য উৎপাদন  শীর্ষ জেলা  পণ্য উৎপাদন  শীর্ষ জেলা
ধান ময়মনসিংহ আলু মুন্সিগঞ্জ
মাচ ময়মনসিংহ কলা টাঙ্গাইল
পাট ফরিদপুর আম দিনাজপুর
গম ঠাকুরগাঁও আখ নাটোর
তুলা ঝিনাইদহ সয়াবিন লক্ষীপুর
তামাক কুষ্টিয়া পেয়াজ পাবনা
কাঁঠাল কুষ্টিয়া চিঙড়ি সাতক্ষীরা
চা মৌলভীবাজার রেণু ও পোনা যশোর

♦ রবি শস্য:
রবি শস্য বলতে শীতকালীন শস্যকে বুঝায়। শীতকালীন সবজি-মূলা, শালগম, টমেটো, শীম, কপি ইত্যাদি; ডালজাতীয় শস্য-মুগ, মশুরী, খেসারী, ছোলা ইত্যাদি; তৈলবীজ শস্য-সরিষা, সয়াবিন, বাদাম প্রভৃতি রবি শস্য।

♦ কৃষিশুমারি:
পাকিস্তান আমলে একবার এবং বাংলাদেশ আমলে চারবার-মোট পাঁচবার এ ভূখন্ডে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। সালগুলো হল- ১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ এবং ২০০৮। এর মধ্যে ১৯৯৭ সালে কেবল পল্লী এলাকায় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। দেশের প্রথম অর্থাৎ গ্রাম ও শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় ১১-১৫ মে ২০০৮। ৯-২০ জুন ২০১৯ সারাদেশে ষষ্ঠবারের মত অনুষ্ঠিত হবে কৃষি শুমারি। যার স্লোগান “কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি।”

♦ জুম চাষ:
পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত উপজাতি সম্প্রদায়ের ফসল উৎপাদনের এক বিশেষ পদ্ধতি হচ্ছে জুম চাষ। এ পদ্ধতিতে পাহাড়ের গায়ে গর্ত করে এক সাথে কয়েক প্রকার ফসলের বীজ বপন করা হয়। সাধারণত পাহাড়ের ঢালে নির্দিষ্ট দূরত্বে গর্ত করে তাতে একই সাথে কয়েক প্রকারের বীজ বপন করে এবং ফসল পরিপক্ব হলে পর্যায়ক্রমে সংগ্রহ করে। তাদের চাষকৃত ফসলের মধ্যে ধান, তুলা ও তিল প্রধান। উপজাতিরা বছরে দু’বার জুম চাষ করে থাকে।

তথ্য কণিকা:
বাংলাদেশে মোট জমির পরিমাণ- ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার একর।
বাংলাদেশের মোট চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমাণ- ২ কোটি ১ লক্ষ ৫৭ হাজার একর।
বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু আবাদি জমির পরিমাণ ০.১৫ একর।
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর বির্ভরশীল- ৮০ ভাগ মানুষ।
‘খরিপ শস্য’ বলতে বোঝায়- গ্রীষ্মকালনি শস্যকে।
‘রবিশস্য’ বলতে বোঝায়- শীতকালীন সস্যকে।
জাতীয় বীজ পরীক্ষাগার অবস্থিত Ñ গাজীপুর।
বাংলাদেশের একমাত্র আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার অবস্থিত- ঈশ্বরদী, পাবনা।
দেশের বৃহত্তম ‘দত্তনগর কৃষি খামার’ অবস্থিত- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর।
‘দত্তনগর কৃষি খামার’ কার্যক্রম শুরু হয়- ১৯৬২ সালে (আয়তন ২৩৩৭)।
স্বর্ণা সারের বৈজ্ঞানিক নাম- ফাইটো হরমোন ইনডিউসার।
স্বাধীন বাংলাদেমে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৭৭ সালে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়- ৫ এপ্রিল, ১৯৭৩।
প্রথম বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার দেয়া হয়- ১৯৭৬ সালে।
সার্ক কৃষি তথ্যকেন্দ্র (VAIC) অবস্থিত- ফার্মগেট, ঢাকা।
‘শস্যভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত জেলা- বরিশাল।
স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন- বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. আব্দুল খালেক।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তর- ফার্মগেট, ঢাকা।
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (BSRTI) অবস্থিত- রাজশাহীতে।
বাংলাদেশের ডাল গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত- ঈশ্বরদীতে।
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI) প্রতিষ্ঠিত হয়- পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৯৫১ সালে।
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের বর্তমান নাম- বাংলাদেশ সুপারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
২০১২ সালে বাংলাদেশ আফ্রিকার যে দেশে প্রথম কৃষিকাজ শুরু করে- সেনেগাল।
BARI-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Bangladesh Agricultural Research Institute

অর্থকারি ফসল:
বাংলাদেশের অর্থকরী কৃষিজ সম্পদ

ফসল গবেষণা কেন্দ্র
পাট ঢাকার শেরে বাংলা নগর
চা শ্রীমঙ্গল
রেশমগুটি/রেশম রাজশাহী
ইক্ষু  ঈশ্বরদী, পাবনা
তুলা ফার্মগেট, ঢাকা
রাবার ঢাকা
তামাক
ধান জয়দেবপুর
গম নশিপুর, দিনাজপুর
কলা ঢাকা
আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ
মশলা বগুড়া
ভুট্টা
ডাল ঈশ্বরদী, পাবনা
তৈলবীজ খামারবাড়ি, ঢাকা
আলু

♦ পাট
পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকারী ফসল, দ্বিতীয় আলু এবং তৃতীয় চা। পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ৬টি পণ্য এবং পাটের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ১৯টি পণ্য পরিবহনে। বাংলাদেশের মোট আবাদি জমির ৫ শতাংশে পাট চাষ করা হয়। দেশে একর প্রতি পাটের ফলন গড়ে ৬৯৬ কেজি। সাধারণত তিন ধরনের গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৫১ সালে, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ১৯৭৪ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট। এ প্রতিষ্ঠন দেশে চারটি উন্নত জাতের পাট উদ্ভাবন করেছে। এগুলো হলো- BKRI তোলা, BJRI -৬, কেনাফজাত (শণপাট), এইচ. সি-৯৫। জাতীয় বীজ বোর্ড দেশী-৮ ও তোষা-৬ নামের পাটের দুটি নতুন জাত অবমুক্ত করে। দেশে সর্বাদিক পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর। দেশে পাটের প্রধান পাট ও সুতার মিশ্রণে এক ধরনের কাপড় হলো জুটন। এতে পাট ও সুতার অনুপাতি ৭০ ঃ ৩০। জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ (১৯৮৯ সালে)। একটি কাচা পাটের গাইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।

তথ্য কণিকা:
‘ সোনালী আঁশ’ বলা হয়- পাটকে।
একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন- সাড়ে তিন মণ।
বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপান্ন হয়- পরিদপুর জেলায়।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা- ১৯৭৪ সালে।
পাট উৎপাদনের বিশে^র প্রথম দেশ- ভারত।
পাট রপ্তানিতে বিশে^র প্রথম দেশ বাংলাদেশ।
জুটন আবিস্কার করেন- ড. মোহাম্মদ সিদিকউল্লাহ।
পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- ভারত।
এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল ছিল- আদমজী পাটকাল, বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮৪ সালে।
IJO- এর বর্তমান নাম- আন্তর্জাতিক জুট স্টাডি গ্রুপ (IJSG)।
IJSG (International jute study Group)-এর সদর দপ্তর- মানিক মিয়া এভিনিউ, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।

♦ চা
১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম ক্লাব প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ভূখন্ডে প্রথম চা চাষ আরম্ভ হয়। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সিলেটের মালনীছড়ায় দেশের প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৭ সালে। বর্তমানে দেশে ১৬৬ টি চা বাগান রয়েছে। সর্বশেষ চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয় পঞ্চগড়। চা চাষের জন্য প্রয়োজন অধিক বৃষ্টিপাতসমৃদ্ধ পাহাড়ি ঢালু অঞ্চল। বাংলাদেশ চা বোর্ড গঠিত হয় ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামে। বিশ^বাজারে উৎপাদিত চায়ের মাত্র ২ শতাংশ চা বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়।

দেশে সর্বাধিক চা উৎপন্ন হয় মৌলভীবাজার জেলায়। এ জেলার শ্রীমঙ্গল থানায় বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত। চা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার (১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৯)। দেশে প্রথম উৎপাদনে উন্নতজাতের চা হল বিটি-১২।

চা উৎপাদনে বিশে্ব শীর্ষ দেশ চীন, রপ্তানিতে কেনিয়া। বাংলাদেশ চা উৎপাদনে নবম এবং রপ্তানিতে ৭৭তম (২০১৮)।

বাংলাদেশের চা বাগানের বন্টন : সংখ্যা- ১৬৬টি।

স্থানের নাম সংখ্যা স্থানের নাম সংখ্যা
সিলেট ২০টি মৌলভীবাজার ৯০টি
হবিগঞ্জ ২৩টি চট্টগ্রাম ২২টি
রাঙ্গামাটি ১টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১টি
পঞ্চগড় ৯টি

পঞ্চগড়ে চা বাগান প্রতিষ্ঠা:
২ এপ্রিল, ২০০০ আনুষ্ঠানিকভাবে পঞ্চগড় জেলায় চা চাষের ভিত প্রতিষ্ঠা করা হয়। তেঁতুলিয়া থানার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের মাদুলপাড়া এলাকায় চা গাছ রোপণের মধ্য দিয়েপঞ্চগড় জেলায় চা চাষশুরু হয়।

তথ্য কণিকা:
বাংলাদেশের প্রথম চা জাদুঘর যাত্রা শুরু করে- ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৯, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৭ সালে, চট্টগ্রাম।
চা উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান – নবম।
বিশ্ব চা রপ্তানিতে বাংলাদেশ – ৭৭তম।
বাংলাদেশের চা সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়- পাকিস্তানে।
বাংলাদেশে বর্সপ্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়  ১৮৪০ সালে।
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয় – সিলেটের মালনিছড়ায়।
বাংলাদেশে মোট চা বাগানের সংখ্যা – ১৬৬টি।
দেশে উৎপাদিত চায়ের রপ্তানি করা হয় – ৬৫%।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) স্থাপিত হয় – ১৯৫৭ সালের ২৮ ফেব্রæয়ারি মৌলভীবাজার জেলায়।
চা উৎপাদনে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী জেলা – হবিগঞ্জ।
দেশের প্রথম অর্গানিক চা বাগান স্থাপিত হয় – ২০০০ সালে, পঞ্চগড় জেলায়।
দেশে চা বাজারজাতকরণের প্রথম নিলাম বাজার অবস্থিত – চট্টগ্রাম। ২য় চা নিলাম বাজার শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
বাংলাদেশে বছরে চা উৎপাদনের পরিমাণ – ৯ কোটি ৫৫০ লাখ পাউন্ড (প্রায়)।
দেশে বর্তমানে চা উৎপাদনের সরাসরি নিযুক্ত শ্রমিকের সংখ্যা – ১ লাখ ২৫ হাজার (প্রায়)।
বাংলাদেশ বছরে চা রপ্তানি করে – ৫ কোটি পাউন্ড।
বাংলাদেশী চা কোম্পানির মধ্যে বৃতত্তর কোম্পানি – ন্যাশনাল টি কম্পানি লিমিটেড।
বাংলাদেশে উৎপাদিত চা – দুই প্রকার।

♦ তামাক
বাংলাদেশে তামাক উৎপন্ন হয় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ,কুষ্টিয়া ওবরিশাল জেলায়। সবচেয়ে বেশি তামাক উৎপন্ন হয় রংপুর জেলায়। সুমাত্রা, ম্যানিলা হল উন্নতজাতের তামাক।

রেশম
বাংলাদেশে রেশম গুটির চাষ হয় রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে। সবচেয়ে বেশি রেশম গুটির চাষ হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। রেশম চাষকে ইংরেজিতে বলা হয় সেরিকালচার। দেশে রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহীতে ১৯৭৭ সালে।

♦ রাবার
অধিক বৃষ্টিপাত অঞ্চলে রাবার উৎপন্ন হয়। বাংলাধেশে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সন্নিকটে রামু নামক স্থানে রাবার চাষ করা হয়। দেশে প্রথম রাবার বাগান করা হয় কক্সবাজারের রামুতে, ১৯৬১ সালে। এখানে দেশের সর্বাধিক রাবার উৎপন্ন হয়। বাংলাদেশের বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন এর আওতাধীন রাবার বাগান ১৬টি।

♦ তুলা
বাংলাদেশে যশোর জেলা তুলা চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। কিন্তু বর্তমান বেশি উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায়। এছাড়া বগুড়া, রংপুর, পাবনা, দিনাজপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া ও ময়মনসিংহে তুলা উৎপাদন হয়। তুলা শস্যের দু’টি উন্নত জাত ‘রূপালী’ ও ‘ডেলফোজ’। তুলা উনন্য়ন বোর্ড ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে ফার্মগেট, ঢাকায় গঠন করা হয়।

তথ্য কণিকা:

তুলা চাষের জন্য বেশি উপযোগী- যশোর জেলা।
‘রূপালী’ ও ‘ডেলফোজ’- দুটি উন্নতজাতের তুলা শস্য।
বেশি তামাক উৎপন্ন হয়- বৃহত্তর রংপুর জেলায়।
রেশম চাষকে বলা হয়- সেরিকালচার।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল- আলু।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়- মন্সিগঞ্জ জেলায়।
যে ব্রিটিশ গভর্নরের উদ্যোগগে বাংলায় আলু চাষের বিস্তার লাভ করে- ও য়ারেন হেস্টিংস।
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন-এর আওতাধীন রাবার বাগান- ১৬টি
দেশে প্রথম রাবার বাগান করা হয়- কক্সবাজারের রামুতে।
বাংলাদেশে আম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়- ১৯৫৮ সালে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
বাংলাদেশের যে জেলায় বর্তমান আম উৎপাদন বেশি হয়- দিনাজপুর জেলায় (২০১৮)।
আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- সপ্তম।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category