1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. samagrabangla@gmail.com : admin :
  4. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  5. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  6. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা

  • Update Time : Saturday, January 30, 2021

প্রশাসনিক কাঠামো ও বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা:

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুটি ধারা রয়েছে। প্রথমটি হল নীতি নির্ধারণী কেন্দ্র বা সচিবালয়, অপরটি হল স্থানীয় প্রশাসন বা মাঠ প্রশাসন (Field Administration)।

বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা:
বাংলাদেশে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো ১. কেন্দ্রীয় প্রশাসন (মন্ত্রী ← সচিব← অতিরিক্ত ← যুগ্মসচিব ← উপ-সচিব← সিনিয়র সহকারী সচিব ← সহকারী সচিব)। ২. স্থানীয় প্রশাসন (বিভাগ, জেলা, উপজেলা) এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ। বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয়।
বাংলাদেশের প্রশাসন হলো শাসন বিভাগ। বাংলাদেশের সকল

প্রশাসন নির্বাহী বিভাগের অধীনে দুই ভাগে বিভক্ত :
১. কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও
২. মাঠ প্রশাসন।

♦ কেন্দ্রীয় প্রশাসন
কেন্দ্রীয় প্রশাসন চারটি শাখা নিয়ে গঠিত। যথা:
(ক) সচিবালয় (খ) মন্ত্রণালয়
(গ) অধিদপ্তর (ঘ) পরিদপ্তর

(ক) সচিবালয় : সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিসকে বলা হয় সচিবালয়। সচিবালয়ের অধীনস্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য পৃথক যে Unit আছে তাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলা হয় এবং এর প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

বাংলাদেশে ৫টি সচিবালয় রয়েছে:
(১) রাষ্ট্রপতি সচিবালয়
(২) কর্মকমিশন সচিবালয়
(৩) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়
(৪) জাতীয় সংসদ সচিবালয়
(৫) বাংলাদেশ সচিবালয়

(খ) মন্ত্রণালয় : সচিবালয়ের অধীন একটি প্রশাসনিক ইউনিট হলো মন্ত্রণালয়, যার নির্বাহী প্রধান হলেন মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক প্রধান সচিব। মন্ত্রীপরিষদের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরকারের প্রধান। মন্ত্রীপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয় হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

(গ) অধিদপ্তর : মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনি কে অধিদপ্তর বলে। যার প্রধান মহাপরিচালক বা Director General, যিনি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন।

(ঘ) পরিদপ্তর : অধিদপ্তরের অধিনস্ত এক বা একাধিক প্রশাসনিক ইউনিটকে পরিদপ্তর বলে। যার প্রধান হলেন পরিচালক, যিনি যুগ্ম সচিব বা উপ-সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন।

♦ কর্পোরেশন
যে অফিসের প্রধানের পরবর্তী চেয়ারম্যান অর্থাৎ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সেই অফিসকে বলা হয় কর্পোরেশন। কর্পোরেশনগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

মাঠ প্রশাসন
তিনটি প্রশাসনিক স্তরকে Field Administration বা মাঠ প্রশাসন বলে।
(i) বিভাগীয় প্রশাসন : প্রধান হলেন বিভাগীয় কমিশনার (যিনি Joint Secretary মর্যাদা সম্পন্ন)। কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জেলা প্রশাসকদের কাজের তত্ত্বাবধান করেন, এবং প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকদের বদলি করত পারেন।

(ii) জেলা প্রশাসন : প্রধান হলেন জেলা প্রশাসক। তিনি জেলার প্রধান নির্বাহী। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সকল কাজ পরিচালিত হয়। তিনি জেলার প্রশাসনিক কাজ, রাজস্ব সংক্রান্ত ও আর্থিক কাজ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত কাজ, উন্নয়নমূলক কাজ ও স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করে থাকেন।

(iii) উপজেলা প্রশাসন : উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO). উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তদারক এবং সরকারি অর্থের ব্যয় তত্ত্বাবধান করেন। তিনি উপজেলা কোষাগারের রক্ষক।

তথ্য কণিকা:

♦ প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়- ১৯৮২ সালে।
♦ প্রশাসনিক সংস্কার হিসেবে ‘মহকুমাকে’ উন্নীতকরণ করা হয়েছিল জেলা হিসেবে।
♦ প্রশাসনিক সংস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান গ্রাম সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন।
♦ ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থার’ বিলুপ্তি সাধন হয়েছিল ১৯৮২ সালে।
♦ উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থার প্রবর্তন শুরু হয়েছিল- ১৯৮২ সালে।
♦ সরকারের নীতি নির্ধারণ এবং ঐ নীতিগুলো কার্যকরণ ও সমীক্ষণের বিষয়ে দায়বদ্ধ রাষ্ট্রপতি দ্বারা নির্ধারিত প্রশাসনিক ইউনিট হলো মন্ত্রণালয়।
♦ কোনো মন্ত্রণালয় বা তার বিভাগগুলোর প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলো সচিব বা জ্যেষ্ঠ সচিব।
♦ মন্ত্রণালয় শাখাগুলোর প্রশাসনিক দায়িত্ব উপ-সচিবের।
♦ বাংলাদেশ সচিবালয় প্রথমে যাত্রা শুরু করে ইডেন বিল্ডিং-এ।
♦ সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করা হয়- ২৮ এপ্রিল ২০১১।
♦ রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ- ২টি।
♦ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান- মন্ত্রী।
♦ মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান- সচিব বা জ্যেষ্ঠ সচিব।
♦ সচিব কাজ করেন- মন্ত্রীর অধীনে।
♦মন্ত্রণালয়ের বিভাগগুলোর প্রশাসনিক দায়িত্ব- যুগ্ম সচিবের।
♦ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নাম- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
♦ বাংলাদেশে বর্তমানে মোট মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা- ৪১টি (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ)।
♦ বাংলাদেশের আয়তনে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম এবং সবচেয়ে ছোট বিভাগ- ময়মনসিংহ।
♦ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙ্গামাটি এবং ছোট জেলা- নারায়ণগঞ্জ (আদমশুমারি- ২০১১)।
♦ সবচেয়ে বেশি জেলা- ঢাকা বিভাগে (১৩টি) কম- সিলেট (৪টি) ও ময়মনসিংহ বিভাগে (৪টি)।
♦ বাংলাদেশের প্রথম ‘সাইবার সিটি’- সিলেটে।
♦ শহরাঞ্চলে স্থানীয় সরকার বিভক্ত দুস্তরে। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
♦ বিভাগীয় প্রশাসকের প্রশাসনিক মর্যাদা- যুগ্ম সচিব।
♦ বর্তমানে সরকারে মন্ত্রিসভার সদস্য- ৪৭ জন (প্রধানমন্ত্রীসহ)।
♦ পূর্ণমন্ত্রী- ১৫ জন (প্রধানমন্ত্রীসহ), প্রতিমন্ত্রী- ১৯ জন এবং উপমন্ত্রী- ৩ জন।
♦ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়- ২৩ অক্টোবর, ২০০১।
♦ পুলিশ একাডেমি অবস্থিত- সারদায়, রাজশাহী, মিলিটারি একাডেমি- চট্টগ্রামে।
♦ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে সংসদীয় আসন- ১৫টি (ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি আসন ২০টি)।
♦ বর্তমান মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য- ৪ জন।
♦ ঢাকা জেলা পরিষদ গঠিত হয়- ১৭৭২ সালে, ঢাকার নাম Dacca থেকে Dhaka করা হয়- ১৯৮২ সালে। ঢাকায় সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়- ২৮ এপ্রিল, ২০১৫।

 

♦ বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোর উৎস- সচিবালয়।
♦ বাংলাদেশে মহিলা পুলিশ চালু হয়- ১৯৭৬ সালে।
♦ বাংলাদেশ পুলিশের সদর দপ্তর- ঢাকার গুলিস্তানে।
♦ ৫৪ ধারা- বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা।
♦ ১৪৪ ধারা- মানুষের চলাচল, আচরণ ও কর্মকান্ডের উপর বিধি নিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ।
♦ বাংলাদেশের ইতিহাসে উচ্চতর আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি- নাজমুন আরা সুলতানা।
♦ বর্ডার গার্ডস অব বাংলাদেশ এর সদর দপ্তর- ঢাকা।
♦ আনসার ভিডিপির সদর দপ্তর- ঢাকার খিলগাঁও, ট্রেনিং একাডেমি- শফিপুর, গাজীপুর।
♦ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদরদপ্তর- ঢাকায়।
♦ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য- ১৩ জন।
♦ উপমহাদেশে পুলিশ সার্ভিস চালু হয়- ১৮৬১ সালে। চালু করেন- লর্ড ক্যানিং।
পরিষদ পুনঃপ্রচলন করা হয়।
পরিষদ পুনঃপ্রচলন করা হয়।

উপজেলা পরিষদ চালু হয়- ১৯৮৫ সালে। উপজেলা বাতিল হয়Ñ ২৬ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে। পরবর্তীতে ৬ এপ্রিল, ২০০৯ উপজেলা পরিষদ পুনঃপ্রচলন করা হয়।
 জেলা পরিষদ গঠিত- জেলা পরিষদ আইন- ২০০০ (সর্বশেষ সংশোধন-২০১৬) দ্বারা। এর সদস্য সংখ্যা- ২১ জন; চেয়ারম্যান- ১ জন, সদস্য- ১৫ জন ও সংরক্ষিত সদস্য- ৫ জন। সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী এ নির্বাচন হবে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে, সরাসরি জনগণের ভোটে নয়।
 বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা- ১৯টি।
 রিকশা নেই বাংলাদেশের যে জেলা শহরে- রাঙামাটি।
 বাংলাদেশ জেলা প্রশাসক নেই যেসব জেলায়- রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
 বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা- যশোর।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category