1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  3. mahmudursir@gmail.com : samagra :

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘর পেয়ে চরম দুর্ভোগে ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় ২৭টি পরিবার

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ৮, ২০২১

সমগ্র বাংলা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘর পেয়েছেন মাধবপুর উপজেলার ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় ২৭টি পরিবার। বৃষ্টির পানি জমে নিচু জায়গায় নির্মিত ঘরগুলোর চারপাশে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব মানুষ। সরেজমিনে গিয়ে ঘুরে দেখা যায় রাস্তা থেকে প্রায় ৪-৫ ফুট নিচু জায়গায় ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই সেখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

কাউছার মিয়া নামে একজন সুবিধাভোগী বলেন, তার কোনো জমি-জমা নেই। প্রধানমন্ত্রী তাকে ঘর করে দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের লোকজন এমন এক জায়গায় ঘর তৈরি করে দিয়েছেন যে জায়গাটি একটি গোরস্থান ও অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। তাছাড়া টিওবয়েল দিয়েছেন সেটা দিয়েও পানি উঠে না, দু’একটি দিয়ে পানি উঠলেও দুর্গন্ধ, খাওয়া যায় না ঐ টিওবয়েলের পানি। এ অভিযোগ এখানকার সকল সুবিধাভোগীদের।

আরো খবর জানতেঃ আশ্রয়ণ প্রকল্পে নয়ছয় করায় ইউএনওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি

এলাকাবাসী জানান, যে জায়গাটির উপর ঘর নির্মাণ করা হয়েছে সেটি সরকারি জমি। কিন্তু আমরা এলাকাবাসী গত কয়েকবছর যাবত এখানে কেউ ইন্তেকাল করলে দাফন-কাপন করে থাকি। এটি বর্তমানে একটি কবরস্থান। উপজেলায় আরও সরকারি খাস জমি রয়েছে, সেখানেও ঘর নির্মাণ করা যেতো। আমরা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিউদ্দিনকে বার বার নিষেধ করার পরও তিনি কবরস্থানের রেকর্ড পরিবর্তন করে খাস দেখিয়ে ঘর নির্মাণ করেছেন। এখন লোকেরা কবরস্থানের উপর বসবাস করছেন।

আরো খবর জানতেঃ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অনিয়ম ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী

সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে প্রথম পর্যায়ে বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডভুক্ত রূপনগর এলাকায় কবরস্থানকে সরকারি খাসজমি দেখিয়ে গৃহহীন ২৭টি পরিবারের জন্য দুর্যোগ-স্থানীয় ঘর নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয় ৪৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা। গত বছরের জানুয়ারী মাসে গৃহহীনদের মাঝে ঘরগুলো উদ্ভোধন করা হয়। প্রকল্পের সভাপতি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানসনুভা নাশতারান এবং উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিউদ্দিনের অদূরদর্শিতার কারণেই এই দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিউদ্দিনের সাথে দেখা করলে তিনি উপরের নিষেধ আছে বলে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে প্রথমে রাজি না হলেও পরে ক্যামেরা কিংবা মোবাইলে রেকর্ড না করার শর্তে বলেন, এখানে কোন কবরস্থান নেই এবং খাস জমি থাকায় ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নিচু জমিতে ঘর নির্মাণ বিষয়ে বলেন, পানি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতামত নিয়ে এখানে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। কিছু পানি জমে ছিল, সেটির জন্য দ্রুত একটি ড্রেন করে দেয়া হয়েছে। আর টিওবয়েল সমস্যার জন্য নতুন টিওবয়েল দেয়া হয়েছে।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category