1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. samagrabangla@gmail.com : admin :
  4. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  5. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  6. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

প্রকৃতি ও প্রত্যয়

  • Update Time : Thursday, January 21, 2021

প্রাথমিক আলোচনা:
শব্দ বা ক্রিয়ার মূলকে প্রকৃতি বলে। অর্থাৎ শব্দের যে অংশকে আর কোন ক্ষুদ্রতম অংশ ভাগ করা যায় না তাই প্রকৃতি।
প্রকৃতি দুই প্রকার। এগুলো হল :
(ক) নাম প্রকৃতি ও (খ) ক্রিয়া প্রকৃতি।

নাম প্রকৃতি :

নাম শব্দের মূলকে নাম প্রকৃতি বলে। যেমন- ‘ঢাকাইয়া’ একটি নাম শব্দ। এই শব্দটিকে বিশ্লেষণ করে একটি অসম্পূর্ণ অর্থবোধক শব্দ ‘ঢাকা’ পাওয়া। কিন্তু ঢাকাকে অর্থপূর্ণভাবে বিভাজন করা যায় না। তাই এখানে ‘ঢাকা’ শব্দটি নাম প্রকৃতি।

ক্রিয়া প্রকৃতি :

ক্রিয়ার মূলকে ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু বলে। যেমন –র্ধ + আ = ধরা। এখানে ধরা ক্রিয়া পদটি গঠিত হয়েছে মূল শব্দ র্ধ শব্দটির মাধ্যমে। এখানে র্ধ হল ক্রিয়া প্রকৃতি।

প্রত্যয়:
নাম প্রকৃতি এবং ক্রিয়া প্রকৃতির সাথে সাথে যুক্ত হয়ে যে শব্দাংশ নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে প্রত্যয় বলে।
প্রত্যয় দুই প্রকার:
(ক) কৃৎ প্রত্যয় ও (খ) তদ্ধিত প্রত্যয়।

(ক) কৃৎ প্রত্যয় :
যে শব্দাংশ ক্রিয়া প্রকৃতি অথবা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।

(খ) তদ্ধিত প্রত্যয় :
যে শব্দাংশ না প্রকৃতির সাথে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

কৃদন্ত পদ:

কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত পদটিকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। যেমন – ওপরের উদাহরণের ‘পড়–য়া’ ও ‘নাচুনে’ কৃদন্ত পদ। তৎসম বা সংস্কৃত প্রকৃতির সঙ্গেও অনুরূপভাবে কৃৎ-প্রত্যয় যোগে কৃদন্ত পদ সাধিত হয়।
যেমন – গম্ + অন = গমন, কৃ + তব্য = কর্তব্য।

গুণ ও বৃদ্ধিঃ

কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৃৎ-প্রত্যয় যোগ কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বর পরিবর্তিত হয়। এ পরিবর্তনকে বলা হয় গুণ ও বৃদ্ধি।
১. গুণ : (ক) ই, ঈ-স্থলে এ,
(খ) উ, ঊ-স্থলে ও এবং
(গ) ঋ-স্থলে র্অ হয়।
যেমন – চিন্ + আ = চেনা (ই স্থলে এ হল);
নী + আ = নেওয়া (ঈ স্থলে এ);
ধু + আ = ধোয়া (উ স্থলে ও);
কৃ + তা = করতা > কর্তা (ঋ স্থলে র্অ)।
২. বৃদ্ধি : (ক) অ-স্থলে আ,
(খ) ই ও ঈ-স্থলে ঐ,
(গ) উ ও ঊ-স্থলে ঔ এবং
(ঘ) ঋ-স্থলে র্আ হয়।
যেমন- পচ্ + অক (ণক) = পাচক (পচ-এর অ স্থলে ‘আ’);
শিশু + অ (ষ্ণ) = শৈশব (ই স্থলে ঐ);
যুব + অন = যৌবন (উ স্থলে ঔ);
কৃ + ঘ্যণ = কার্য (ঋ স্থলে র্আ)।

উপধা:
প্রকৃতির অন্ত ধ্বনি/শেষ ধ্বনির আগের ধ্বনিকে উপধা বলে জিত > জিত্ = অ- এখানে (ত) উপধা।
ইৎ
প্রকৃতির সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রত্যয়ের যে অংশ লোপ পায় তাকে ‘ইৎ’ বলে। যেমন: মা + তৃচ = মাতা এখানে ‘চ’ লুপ্ত হয়েছে। সুতরাং ‘চ’ ইৎ।
প্রকৃতির চিহ্ন:
কৃৎ প্রত্যয়ে প্রকৃতির আগে ‘’ চিহ্ন বসে।

কৃৎ-প্রত্যয়:

ক্রিয়ামুলকে বলা হয় ধাতু, আর ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কারকবাচক বিভক্তি যোগ করে গঠন করা হয় ক্রিয়াপদ। ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন (১) ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি ; আর (২) ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে, কৃৎ-প্রত্যয়। যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন (বিশেষ্য পদ)। চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন্ত (বিশেষণ পদ)। ‘প্রকৃতি’ কথাটি বোঝানোর জন্য প্রকৃতির আগে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ প্রকৃতি চিহ্নটি ব্যবহার করলে ‘প্রকৃতি’ শব্দটি লেখার প্রয়োজন হয় না। যেমন – পড় ্ + উয়া = পড়–য়া।
নাচ্্ + উনে = নাচুনে।
কৃৎ প্রত্যয় দুই প্রকার: (ক) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়, ও  (খ) বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।

বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়:

কৃৎ-প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন ঃ বাংলা
০১. (০) শূন্য-প্রত্যয় : কোনো প্রকার প্রত্যয়-চিহ্ন ব্যতিরেকেই কিছু ক্রিয়া-প্রকৃতি বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এ রূপ স্থলে () শূন্য প্রত্যয় ধরা হয়। যেমন- এ মোকদ্দমায় তোমার জিত্ হবে না, র্হা – ই হবে। গ্রামে খুব র্ধপাকড়্্ চলছে।
০২. ক্ত-প্রত্যয় ঃ কেবল ভাববাচ্যে অ-প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন – র্ধ + অ = ধর,র্মা + অ = মার। আধুনিক বাংলায় অ-প্রত্যয় সর্বত্র উচ্চারিত হয় না। যেমন – র্হা + অ = র্হা, জিত্ + অ = জিত।
কোনো কোনো সময় অ-প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগ হয়। যেমন- (আসন্ন সম্ভাব্যতা অর্থে দ্বিত্বপ্রাপ্ত) কাঁদ্ + অ = কাঁদকাঁদ চেহারা)। এ রূপ – পড়্্ + অ = পড়্্পড়্্,র্ম + অ = মরমর (অবস্থা) ইত্যাদি। কখনো দ্বিত্বপ্রাপ্ত কৃদন্ত পদে উ-প্রত্যয় হয়। যেমন-ড়–ব্ + উ = ড়–বুড়–বু। উড়– + উ = উড়–উড়–।
০৩. অন্ – প্রত্যয় ঃ ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠন ‘অন’ প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়। যেমন – কাঁদ্ + অন = কাঁদন (কান্নার ভাব)। এরূপ- নাচন, বাড়ন, ঝুলন, দোলন।
০৪. অনা – প্রত্যয় ঃ দুল্ + অনা = দুলনা > দোলনা। খেল্ + অনা = খেলনা।
০৫. অনি, (বিকল্পে) উনি-প্রত্যয় ঃ র্চি + অনি = চিরনি > চিরুনি। বাঁধ্ + অনি = বাঁধনি। আঁট্ + অনি = আঁটনি > আঁটুনি।
০৬. অন্ত – প্রত্যয় ঃ বিশেষণ গঠনে ‘অন্ত’ প্রত্যয় হয়। যেমন – উড়– + অন্ত = উড়ন্ত,ড–ব্ + অন্ত = ড–বন্ত।
০৭. অক-প্রত্যয় ঃমুড় ্ + অক = মোড়ক। ঝল্ + অক = ঝলক।
০৮. আ-প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ‘আ’ প্রত্যয় হয়। যেমন – পড়্্ + আ = পড়া (পড়া বই)। এরূপ রাঁধা (বিশেষ্য),
রাঁধা (বিশেষণ), কেনা, কাচা, ফোটা ইত্যাদি।
০৯. আই-প্রত্যয় ঃ ভাব বাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আই’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন – চড় ্ + আই = চড়াই, সিল্ + আই = সিলাই।
১০. আও-প্রত্যয়ঃ ভাব বাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আও’ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন – পাকড় ্ + আও = পাকড়াও, চড় ্ + আও = চড়াও।
১১. আন (আনো)- প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য গঠনে প্রযোজক ধাতু ও কর্মবাচ্যের ধাতুর পরে ‘আন/আনো’ প্রত্যয় হয়।
যেমন – চাল্ + আন = চালান/চালানো।
মান্ + আন = মানান/ মানানো।
১২. আনি-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য গঠনে প্রযুক্ত হয়।
যেমন – জান্ + আনি = জানানি, শুন্ + আনি = শুনানি,
উড় ্ + আনি = উড়ানি, উড় ্+ উনি = উড়–নি।
১৩. আরি বা আরী বিকল্পে রি/উরি-প্রত্যয় ঃ যেমন –ড–ব্ + আরি / উরি = ড–বুরী। এরূপ- ধুনারী, পূজারী ইত্যাদি।
১৪. আল-প্রত্যয়ঃ মাত্ + আল = মাতাল, মিশ্ + আল = মিশাল।
১৫. ই-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য গঠনে ‘ই’ প্রত্যয় প্রযুক্ত হয়।
যথা – ভাজ্ + ই = ভাজি, বেড় ্ + ই = বেড়ি।
১৬. ইয়া > ইয়ে-প্রত্যয় ঃ বিশেষণ গঠনে ইয়া/ইয়ে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন – র্ম + ইয়া = মরিয়া (মরতে প্রস্তুত), বল্ + ইয়ে = বলিয়ে (বাকপটু)। এরূপ – নাচিয়ে, গাইয়ে, লিখিয়ে, বাজিয়ে, কইয়ে ইত্যাদি।
১৭. উ-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ‘উ’ প্রত্যয়ের প্রয়োগ হয়। যথা- ডাক্ + উ = ডাকু, ঝাড় ্ + উ = ঝাড়–, উড় ্ + উ = উড়– (দ্বিত্ব উড়–উড়–)।
১৮. ‘উয়া’ বিকল্পে ‘ও’-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ‘উয়া’ এবং ‘ও’ প্রত্যয় হয়। যথা- পড়্ + উয়া = পড়–য়া > পড়ো,
উড় ্ + উয়া = উড়–য়া > উড়ো, উড়– + ও = উড়ো (চিঠি)।
১৯. তা-প্রত্যয়ঃ বিশেষণ গঠনে ‘তা’ প্রত্যয় হয়। যেমন- র্ফি + তা = ফিরতা > ফেরতা, পড়্ + তা = পড়তা, বহ্্ + তা = বহতা।
২০. তি-প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ‘তি’ প্রত্যয় হয়। যেমন- ঘাট্ + তি = ঘাটতি, বাড় ্ + তি = বাড়তি। এরূপ- কাটতি, উঠতি ইত্যাদি।
২১. না-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য গঠনে ‘না’ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন- কাঁদ্ + না = কাঁদনা > কান্না, বাঁধ্ + না = রাঁধনা > রান্না। এরূপ – ঝরনা ইত্যাদি।

√ কৃৎ-প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন : সংস্কৃত

০১. অনট্-প্রত্যয় ঃ (‘ট’ ইৎ হয়, ‘অন’ থাকে) ঃ নী + অনট্ = নী + অন > নে + অন (গুণসূত্রে) = নয়ন। শ্রু + অনট্ = শ্রু + অন (গুণ ও সন্ধির ফলে) = শ্রবণ। এরূপ – স্থান, ভোজন, নর্তন, দর্শন ইত্যাদি।
০২. ক্ত-প্রত্যয় (‘ক্’ ইৎ ‘ত’ থাকে) ঃ জ্ঞা + ক্ত (জ্ঞা + ত) = জ্ঞাত, খ্যা + ক্ত = খ্যাত।
০৩. ক্তি – প্রত্যয় (‘ক’ ইৎ ‘তি’ থাকে) ঃ গম্ + ক্তি = গম + তি = গতি (এখানে ‘ম’ লোপ হয়েছে)
০৪. তব্য ও অনীয় প্রত্যয় ঃ কর্ম ও ভাববাচ্যের ধাতুর পরে (ক) তব্য ও (খ) অনীয় প্রত্যয় হয়।
(ক) তব্য ঃ কৃ + তব্য = কর্তব্য, দা + তব্য = দাতব্য, পঠ্ + তব্য = পঠিতব্য।
(খ) অনীয় ঃকৃ + অনীয় = করণীয়,রক্ষ্ + অনীয় = রক্ষণীয়। এ রূপ – দর্শনীয়, পানীয়, শ্রবণীয়, পালনীয় ইত্যাদি।
০৫. তৃচ্-প্রত্যয় (‘চ’ ইৎ ‘তৃ’ থাকে) ঃ প্রথমা একবচনে ‘তৃ’ স্থলে ‘তা’ হয়।
যেমন- দা + তৃচ্ = দা + তা = দাতা, মা + তৃচ্্ = মাতা,ক্রী + তৃচ্্ = ক্রেতা।
০৬. ণক-পত্যয় (‘ণ’ ইৎ ‘অক’ থাকে) ঃপঠ্ + ণক = পঠ + অক = পাঠক। মূল স্বরের বৃদ্ধি হয়ে ‘অ’ স্থানে ‘আ’ হয়েছে। যেমন – নী + ণক = (নৈ + অক – প্রথম স্বরের বৃদ্ধি) নায়ক, গৈ + ণক = গায়ক, লিখ্ + ণক = লেখক ইত্যাদি।
০৭. ঘ্যণ-প্রত্যয় [ঘ, ণ-ইৎ, য (য-ফলা) থাকে] ঃ কর্ম ও ভাব বাচ্যে ঘ্যণ্ হয়। যথা – কৃ + ঘ্যণ্ = কার্য্য > কার্য,ধৃ + ঘ্যণ = ধার্য। এরূপ – পরিহার্য, বাচ্য, ভোজ্য, যোগ্য, হাস্য ইত্যাদি।
০৮. য-প্রত্যয় ঃ কর্ম ও ভাববাচ্যে যোগ্যতা ও ঔচিত্য অর্থে ‘য’ প্রত্যয় প্রযুক্ত হয়। ‘য’ যুক্ত হলে আ-কারান্ত ধাতুর আ-কার স্থলে এ -কারান্ত হয় এবং ‘য’ ‘য়’ হয়। যেমন-দা + য = দা > দে + য > য় = দেয়।হা + য = হেয়। এরূপ – বিধেয়, অজেয়, পরিমেয়, অনুমেয় ইত্যাদি।
০৯. ণিন-প্রত্যয় (ণ ইৎ, ইন্ থাকে, ইন্ ‘ঈ’-কার হয়) ঃ গ্রহ + ণিন = গ্রাহী,পা + ণিন = এরূপ – কারী, দ্রোহী, সত্যবাদী, ভাবী, স্থায়ী, গামী। কিন্তু ‘ণিন’ যুক্ত হলে ‘হন’ ধাতুর স্থলে ‘ঘাত’ হয়। যথা- আত্ম + হন্ + ণিন = আত্মঘাতী।
১০. ইন-প্রত্যয় (ইন্ = ঈ-কার হয়) ঃ শ্রম্ + ইন্ = শ্রমী।
১১. অল্-প্রত্যয় (ল ইৎ, অ থাকে) ঃ জি + অল্ = জয়, ক্ষি + অল্ = ক্ষয়। এরূপ – ভয়, নিচয়, বিনয়, ভেদ।
ব্যতিক্রমঃ হন্ + অল = বধ।

√ কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে কতিপয় কৃৎ-প্রত্যয়ঃ

১. ইষ্ণু-প্রত্যয় ঃ চল্ + ইষ্ণু = চলিষ্ণ্।ু এরূপ = ক্ষয়িষ্ণু, বর্ধিষ্ণু।
২. বর-প্রত্যয় ঃ ঈশ্ + বর = ঈশ^র, ভাস্ + বর = ভাস্বর।
এরূপ- নশ^র, স্থাবর।
৩. র-প্রত্যয় ঃ হিন্ – স্ + র = হিং¯্র, নম্ + র = ন¤্র।
৪. উক/ঊক-প্রত্যয় ঃ ভু + উক = (ভৌ + উক ) = ভাবুক,
জাগৃ + ঊক = (জাগর + ঊ) জাগরূক।
৫. শানচ্-প্রত্যয় (‘শ’ ও ‘চ’ ইৎ, ‘আন’ বিকল্পে ‘মান’ থাকে)ঃ
দীপ্ + শানচ্ = দীপ্যমান। এরূপ- চল্ + শানচ্ = চলমান, বৃধ + শানচ্ = বর্ধমান।
৬. ঘঞ্-প্রত্যয় [কৃদন্ত বিশেষ্য গঠনে], (ঘ্ এবং ঞ ইৎ, ‘অ’ থাকে)ঃ
রবস্+ঘঞ্ = বাস, যুজ্+ঘঞ্ = যোগ, ক্রুধ্ + ঘঞ্ = ক্রোধ, খদ্ + ঘঞ্ = খেদ, ভিদ্ + ঘঞ্ = ভেদ।

তদ্ধিত প্রত্যয়:

শব্দের সঙ্গে (শেষে) যে সব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।

প্রাতিপদিক- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক। প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম প্রকৃতিও বলা হয়। ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি। প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম প্রকৃতি।

বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার
ক. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
খ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।
গ. তৎসম বা সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।

(ক) বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় :
১. আ-প্রত্যয় ঃ
(ক) অবজ্ঞার্থে ঃ চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্ট।
(খ) বৃহদার্থে ঃ ডিঙি + আ = ডিঙা (সপ্তডিঙ্গা মধুকর)
(গ) সদৃশ অর্থে ঃ বাঘ্্ + আ = বাঘা, হাত্্ + আ = হাতা।
(ঘ) ‘তাতে আছে’ বা ‘তার আছে’ অর্থে ঃ জল্ + আ = জলা,
গোদ্্ + আ = গোদা।
(ঙ) সমষ্টি অর্থেঃ বিশ্্ Ñ বিশা, বাইশ্্ – বাইশা (মাসের বাইশা >
বাইশে)।
(চ) স্বার্থে ঃ জট্্ + আ = জটা, চোখ্্ – চোখা, চাক Ñ চাকা।
(ছ) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে ঃ হাজিরা, চাষ Ñ চাষা।
(জ) জাত ও আগত অর্থে ঃ মহিষ > ভাইস Ñ ভয়সা (ঘি),
দখিন Ñ দখিনা > দখনে (হাওয়া)।
২. আই- প্রত্যয় : 
(ক) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ঃ বড় + আই = বড়াই,
চড়া + আই = চড়াই।
(খ) আদরার্থে ঃ কানু – কানাই, নিম – নিমাই।
(গ) স্ত্রী বা পুরুষবাচক শব্দের বিপরীত বোঝাতেঃ বোন + আই =
বোনাই, ননদ – নন্দাই, জেঠা – জেঠাই (মা)।
(ঘ) সমগুণবাচক বিশেষ্য গঠনেঃ মিঠা + আই = মিঠাই।
(ঙ) জাত অর্থেঃ ঢাকা + আই = ঢাকাই (জামদানি),
পাবনা Ñ পাবনাই (শাড়ি)।
(চ) বিশেষণ গঠনেঃ চোর – চোরাই (মাল), মোগল – মোগলাই (পরোটা)
৩. আমি/আম/আমো/মি-প্রত্যয় :
(ক) ভাব অর্থে ঃ ইর্ত্ + আমি = ইতরামি, পাগল্্ + আমি = পাগলামি, র্চ্ ো+ আমি = চোরামি, বাঁর্দ্ + আমি = বাঁদরামি, ফাজিল্্ + আমো = ফাজলামো।
(খ) বৃত্তি (জীবিকা) অর্থেঃ ঠক্্ – ঠকামো (ঠকের বৃত্তি বা ভাব),
র্ঘ্ – ঘরামি।
(গ) নিন্দা জ্ঞাপনঃ জেঠা – জেঠামি, ছেলে – ছেলেমি।
৪. ই/ঈ-প্রত্যয়ঃ
(ক) ভাব অর্থে ঃ বাহাদুর + ই = বাহাদুরি, উমেদার – উমেদারি।
(খ) বৃত্তি বা ব্যবসায় অর্থে ঃ ডাক্তার – ডাক্তারি, মোক্তার Ñ
মোক্তারি, পোদ্দার Ñ পোদ্দারি, ব্যাপার Ñ ব্যাপারি, চাষ Ñ চাষী।
(গ) মালিক অর্থেঃ জমিদার Ñ জমিদারি, দোকান Ñ দোকানি।
(ঘ) জাত, আগত, বা সম্বন্ধ বোঝাতেঃ ভাগলপুর Ñ ভাগলপুরি, মাদ্রাজ Ñ মাদ্রাজি, রেশম Ñ রেশমি, সরকার Ñ সরকারি (সম্বন্ধ বাচক)।
৫. ইয়া > এ-প্রত্যেয় :
(ক) তৎকালীনতা বোঝাতেঃ সে কাল + এ = সেকেলে,
এ কাল + এ = একেলে, ভাদর + ইয়া = ভাদরিয়া > ভাদুরে  (কই)।
(খ) উপকরণ বোঝাতে ঃ পাথর – পাথরিয়া > পাথুরে, মাটি –
মেটে, বালি – বেলে।
(গ) উপজীবিকা অর্থে ঃ জাল – জালিয়া > জেলে, মোট – মুটে।
(ঘ) নৈপুণ্য বোঝাতে ঃ খুন – খুনিয়া > খুনে, দেমাক – দেমাকে,
না (নৌকা) – নাইয়া > নেয়ে।
(ঙ) অব্যয়জাত বিশেষণ গঠনে ঃ টনটন – টনটনে (জ্ঞান),
কনকন – কনকনে (শীত), গনগন – গনগনে (আগুন),
চকচক – চকচকে (জুতা)।
৬. উয়া > ও-প্রত্যয় :
(ক) রোগগ্রস্ত অর্থেঃ জ¦র + উয়া = জ¦রুয়া > জ¦রো। বাত + উয়া
= বাতুয়া > বেতো (ঘোড়া)
(খ) যুক্ত অর্থঃ টাক – টেকো।
(গ) সেই উপকরণে নির্মিত অর্থে ঃ খড় – খড়ো।
(ঘ) জাত অর্থেঃ ধান – ধেনো।
(ঙ) সংশ্লিষ্ট অর্থেঃ মাঠ – মেঠো, গাঁ – গাঁইয়া > গেঁয়ো।
(চ) উপজীবিকা অর্থেঃ মাছ্্ – মাছুয়া > মেছো।
(ছ) বিশেষণ গঠনেঃ দাঁত – দেঁতো (হাসি), ছাঁদ Ñ ছেঁদো
(কথা), তেল Ñ তেলা (মাথা), কুঁজ্্ Ñ কুঁজো (লোক)।
৭. উ-প্রত্যয়ঃ বিশেষণ গঠনেঃ ঢাল্্ + উ = ঢালু, কল্্ + উ = কলু।

৮. উক – প্রত্যয়ঃ বিশেষণ গঠনেঃ লাজ্্ – লাজুক, মিশ্্ – মিশুক, মিথ্যা – মিথ্যুক।

৯. আরি / আরী/আরু – প্রত্যয়ঃ বিশেষণ গঠনেঃ ভিখ্্ – ভিখারী,  শাঁখ্্ – শাঁখারী, বোমা – বোমারু।

১০. আলি/আলো/আলি > এর-প্রত্যয়ঃ বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে ঃ দাঁত্্ – দাঁতাল, লাঠি – লাঠিয়াল > লেঠেল, তেজ্্ – তেজাল, র্ধ্ া- ধারাল, শাঁস্্ – শাঁসাল, জমক্্ – জমকালো, দুধ্্ – দুধাল > দুধেল, হিম্্ – হিমেল, চর্তু – চুতরালি, ঘটক্্ – ঘটকালি, সিদ্্ – সিঁদেল, গাঁজা – গেঁজেল।

১১. উরিয়া > উড়িয়া/উড়ে/রে-প্রত্যয় ঃ হাট-হাটুরিয়া > হাঁটুরে,  সাপ্্ – সাপুড়িয়া > সাপুড়ে, কাঠ্্ – কাঠুরে।১২. উড়-প্রত্যয়ঃ অর্থহীন ভাবেঃ লেজ – লেজুড়।

১৩. উয়া / ওয়া > ও-প্রত্যয় ঃ সম্পর্কিত অর্থেঃ র্ঘ্ + ওয়া = ঘরোয়া, জল্্ + উয়া = জলুয়া > জলো (দুধ)।
১৪. আটিয়া/টে – প্রত্যয় ঃ বিশেষণ গঠনেঃ তামা – তামাটিয়া > তামাটে, ঝগড়া-ঝগড়াটে, ভাড়া-ভাড়াটে, রোগা-রোগাটে।

১৫. অট > ট প্রত্যয়ঃ স্বার্থে ঃ ভরা – ভরাট, জমা – জমাট।

১৬. লা-প্রত্যয়ঃ (ক) বিশেষণ গঠনেঃ মেঘ্্ – মেঘলা।

(খ) স্বার্থেঃ এক্্ – একলা, আধ্ – আধলা।

(খ) বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় ঃ

০১. ওয়ালা > আলা (হিন্দি) ঃ বাড়ি – বাড়িওলা (মালিক অর্থে), দিল্লি – দিল্লিওয়ালা (অধিবাসী অর্থে), মাছ্্ – মাছওয়ালা (বৃত্তি অর্থে), দুধ্্ – দুধওয়ালা (বৃত্তি অর্থে)।
০২. ওয়ান > আন (হিন্দি) ঃ গাড়ি – গাড়োয়ান, দার-দারোয়ান।
০৩. আনা > আনি (হিন্দি) ঃ মুনশি-মুনশিআনা, বিবি-বিবিআনা,
হিন্দু-হিন্দুয়ানি।
০৪. পনা (হিন্দি)ঃ ছেলে-ছেলেপনা, গিন্নী-গিন্নীপনা, বেহায়া-বেহায়াপনা।
০৫. সা > সে (হিন্দি)ঃ পানি-পয়সা > পানসে, এক-একসা,
কাল (কাল)-কালসা, কালসে।
০৬. গর > কর (ফারসি)ঃ কারিগর, বাজিকর, সওদাগর।
০৭. দার > (ফারসি)ঃ তাঁবেদার, খবরদার, বুটিদার, দেনাদার, চৌকিদার, পাহারাদার।
০৮. বাজ (দক্ষ অর্থে-ফারসি)ঃ কলমবাজ, ধোঁকাবাজ,
গলাবাজ + ই = গলাবাজি (বিশেষ্য)।
০৯. বন্দী (বন্দ্ – ফারসি)ঃ জবানবন্দী, সারিবন্দী, নজরবন্দী, কোমরবন্দ।
১০. সইঃ মত অর্থেঃ জুতসই, মানানসই, চলনসই, টেকসই।

(গ) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ঃ

১. ইত-প্রত্যয় ঃ উপকরণজাত বিশেষণ গঠনেঃ
কুসুম + ইত = কুসুমিত, তরঙ্গ + ইত = তরঙ্গিত, কণ্টক + ইত = কণ্টকিত।
২. ইমন্-প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য গঠনে: নীল + ইমন্ = নীলিমা। এরূপ – মহৎ, মহিমা।

৩. ইল-প্রত্যয় ঃ উপকরণজাত বিশেষণ গঠনে
পঙ্ক+ইল = পঙ্কিল, ঊর্মি+ইল = ঊর্মিল, ফেন + ইল = ফেনিল।
৪. ইষ্ঠ-প্রত্যয় ঃ অতিশায়নে
গুরু + ইষ্ঠ = গরিষ্ঠ, লঘু + ইষ্ঠ = লঘিষ্ঠ।
৫. ইন (ঈ)-প্রত্যয় ঃ সাধারণ বিশেষণ গঠনে
জ্ঞান + ইন্ = জ্ঞানিন্ সুখ + ইন্ = সুখিন্
গুণ + ইন্ = গুণিন্ মান + ইন্ = মানিন্।
৬. তা ও ত্ব – প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য গঠনে
বন্ধু + তা = বন্ধুতা, শক্র + তা = শক্রতা,
বন্ধু + ত্ব = বন্ধুত্ব, গুরু + ত্ব = গুরুত্ব,
ঘন + ত্ব = ঘনত্ব, মহৎ + ত্ব = মহত্ত¡
৭. তর ও তম – প্রত্যয় ঃ অতিশায়নে
মধুর – মধুরতর, মধুরতম। প্রিয় – প্রিয়তর, প্রিয়তম।
৮. নীন (ঈন্) প্রত্যয় ঃ তৎসম্পর্কিত অর্থে বিশেষণ গঠনে সর্বজন+নীন = সার্বজনীন, কুল+নীন = কুলীন, নব+নীন = নবীন।
৯. নীয় (ঈয়)-প্রত্যয় ঃ বিশেষণ গঠনে
জল + নীয় = জলীয়, বায়ু + নীয় = বায়বীয়, বর্ষ + নীয় = বর্ষীয়।
১০. বতুপ্ (বৎ) এবং মতুপ্ (মৎ)-প্রত্যয় [প্রথমার এক বচনে যথাক্রমে ‘বান্’ এবং ‘মান্’ হয়] ঃ বিশেষণ গঠনেগুণ + বতুপ্ = গুণবান, দয়া + বতুপ্ = দয়াবান। শ্রী + বতুপ্ = শ্রীমান, বুদ্ধি + মতুপ্ = বুদ্ধিমান।
১১. বিন (বী)-প্রত্যয় ঃ আছে অর্থে বিশেষণ গঠনে মেধা + বিন্ = মেধাবী, মায়া + বিন্ = মায়াবী, তেজঃ + বিন্ = তেজস্বী, যশঃ + বিন্ = যশস্বী।
১২. র-প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য গঠনেঃ মধু + র = মধুর, মুখ্্ + র = মুখর।
১৩. ল-প্রত্যয় ঃ বিশেষ্য গঠনেঃ শীত্্+ল = শীতল, বৎস্্+ল = বৎসল।
১৪. ষ্ণ (অ)-প্রত্যয়
(ক) অপত্য অর্থেঃ মনু + ষ্ণ = মানব, যাদু + ষ্ণ = যাদব।
(খ) উপাসক অর্থেঃ শিব্্+ষ্ণ = শৈব, জিন্্ + ষ্ণ = জৈন। এরূপ ঃ শক্তি-শাক্ত, বুদ্ধ-বৌদ্ধ, বিষ্ণু – বৈষ্ণব।
(গ) ভাব অর্থেঃ শিশু + ষ্ণ = শৈশব, গুরু + ষ্ণ = গৌরব, কিশোর + ষ্ণ = কৈশোর।
(ঘ) সম্পর্কে বোঝাতে ঃ পৃথিবী + ষ্ণ = পার্থিব,
দেব + ষ্ণ = দৈব, চিত্র (একটি নক্ষত্রের নাম) + ষ্ণ = চৈত্র।
১৫. ষ্ণ্য (য)-প্রত্যয় ঃ
(ক) অপত্যার্থে ঃ মনুঃ + ষ্ণ্য = মনুষ্য, জমদগ্নি + ষ্ণ্য = জামদগ্ন্য।
(খ) ভাবার্থে ঃ সুন্দর + ষ্ণ্য = সৌন্দর্য, শূর + ষ্ণ্য = শৌর্য।  ধীর + ষ্ণ = ধৈর্য, কুমার + ষ্ণ্য = কৌমার্য।
(গ) বিশেষণ গঠনে ঃ পর্বত + ষ্ণ্য = পাবর্ত্য,  বেদ + ষ্ণ্য = বৈদ্য।

১৬. ষ্ণি (ই)-প্রত্যয় ঃ অপত্য অর্থে ঃ
রাবণ + ষ্ণি = রাবণি (রাবণের পুত্র), দশরথ + ষ্ণি = দাশরথি।
১৭. ষ্ণিক (ইক)-প্রত্যয় ঃ
(ক) দক্ষ বা বেত্তা অর্থে ঃ সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক, বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক, বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক।
(খ) বিষয়ক অর্থেঃ সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক, নগর-নাগরিক, মাস-মাসিক, ধর্ম-ধার্মিক, সমর-সামরিক, সমাজ-সামাজিক।
(গ) বিশেষণ গঠণে ঃ হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমস্তিক, অকম্মাৎ + ষ্ণিক = আকষ্মিক।
১৮. ষ্ণেয় (এয়)-প্রত্যয় ঃ ভগিনী + ষ্ণেয় = ভাগিনেয়, অগ্নি + ষ্ণেয় = আগ্নেয়, বিমাতৃ (বিমাতা) + ষ্ণেয় = বৈমাত্রেয়।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category