1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  3. mahmudursir@gmail.com : samagra :
Title :
অপহরণের দেড় বছর পর ফাঁদ পেতে প্রেমিক জুটিকে জামালপুর থেকে আটক করেছে র‌্যাব ও পুলিশ বাহুবলে জননিরাপত্তা আইনে উপজেলা চেয়ারম্যান পুত্র আটক চুনারুঘাটের খালিদ হাসান পেলেন ইন্টারন্যাশনাল ভলেন্টিয়ারস ডে অ্যাওয়ার্ড ২০২২ স্কুলছাত্রী রিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাহুবলের অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করলো স্থানীয় জনগণ ঢাকা সিলেট মহাসড়কে আলু ও বালু বোঝাই দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স কী, বুঝবেন কিভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড জমি কেনাবেচার জন্য বাজারদরের পথে এগোচ্ছে সরকার স্প্যাম ই-মেইল আসা বিরক্তকর, বন্ধ করবেন যেভাবে

পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২ টাকা

  • Update Time : সোমবার, মার্চ ২৮, ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি: ক্রেতার সঙ্কটের কারণে দিনাজপুরের হিলি বন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা দরে। অথ্যাৎ প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২ থেকে ৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন আমদানিকারকরা।

সোমবার (২৮ মার্চ) দুপুরে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজের গুদাম ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি গুদামে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে। প্রচণ্ড গরমে পচে যাচ্ছে আমদানিকরা এসব ভারতীয় পেঁয়াজ। অনেক আমদানিকারককে মাটিতে ঢেলে পেঁয়াজ শুকাতে দেখা গেছে। আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজের বস্তা বিক্রি করছেন ১০০ থেকে ২০০ টাকা। আবার ভালো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা বস্তা। তবে এ সময় আমদানিকারকদের গুদামগুলোতে পেঁয়াজের তেমন একটা ক্রেতা দেখা যায়নি। যার কারণে পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা।

জানা গেছে, প্রকারভেদে এখানে পেঁয়াজের দাম ওঠানামা করে। ভারত থেকে আনা ভালোমানের পেঁয়াজ আমদানীকারকরা প্রতি বস্তা বিক্রি করছেন ৮০০টাকা দরে। তবে কিছুটা খারপ হয়ে যাওয়া পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে। এছাড়া বেশি খারাপ পেঁয়াজ আমদানিকারকরা বিক্রি করছেন ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বস্তা।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সেখানে পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতারা প্রতিকেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ১৪ থেকে ১৫ টাকা দরে। এছাড়া এই বাজারে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে।

হিলির আমদানিকারকদের গুদামে পেঁয়াজ কিনতে আসা এক ব্যবসায়ী বলেন, পেঁয়াজের দাম অনেক কমে গেছে। তবে পেঁয়াজের মান ভালো না। ২০০ টাকা দরে এখান থেকে এক বস্তা পেঁয়াজ কিনেছি আমি।

পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবুল হোসেন বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৯ মার্চ পেঁয়াজ আমদানির পারমিট বন্ধ হয়ে যাবে। এই কারণে আমাদের এলসি করা পেঁয়াজ দ্রুত আমদানি করেছি। আর ভারতের পাইপলাইনে অনেক গাড়ির চাপ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাকগুলো দাঁড়িয়ে থাকায় গরমে তা নষ্ট হয়ে গেছে।’

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category