1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

ট্যাকটিক্যাল বেল্ট কি? কে পাচ্ছে?

  • Update Time : Wednesday, December 16, 2020

রাইফেল কাঁধে বহন করা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীর আদলে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের দেওয়া হবে ছোট পিস্তল। এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশে সংযোজন করা হচ্ছে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট।

৬ চেম্বারের আধুনিক এই ট্যাকটিক্যাল বেল্টেই থাকবে পিস্তল, হ্যান্ডকাফ, অতিরিক্ত ম্যাগাজিন, এক্সপেন্ডেবেল ব্যাটন, পানির পটসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের হাত থাকবে সম্পূর্ণ খালি।

বুধবার ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের প্রথমদিনে প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পুলিশ সদস্যদের মাঝে ১০ হাজার ট্যাকটিক্যাল বেল্ট সরবরাহ করবে পুলিশ সদর দফতর। এর পর পর্যায়ক্রমে পুরো পুলিশ বাহিনীর সব সদস্যকে এই ট্যাকটিক্যাল বেল্ট দেওয়া হবে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ পুলিশকে আধুনিকভাবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি পুলিশে ট্যাকটিক্যাল বেল্টের মতো আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করতে যাচ্ছেন।

এতে বিপদগ্রস্ত মানুষের যে কোনও প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারবে পুলিশ। আবার অপরাধীকে দ্রুত ঘায়েল করতে ট্যাকটিক্যাল বেল্টে থাকা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারবেন অনায়াসেই।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ট্যাকটিক্যাল বেল্টের মূল স্লোগান হলো ‘হ্যান্ডস ফ্রি পুলিশিং’ মানে হাত খালি রাখা। এতে বড় অস্ত্র বহনের ঝক্কিঝামেলা আর থাকবে না। এতে পুলিশের কাজে গতি আসবে, মনোবলও বাড়বে। একই সঙ্গে পুলিশকে দেখতেও আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী লাগবে।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মূল কথা পুলিশকে কাছের ভাববে সাধারণ মানুষ। বিপদে ভরসা মনে করবে। এ জন্য উন্নত বিশ্বে পুলিশের অস্ত্র সাধারণত প্রয়োজন ছাড়া প্রদর্শন করা হয় না। আবার এমনভাবে পুলিশ সদস্যদের কাছে সংরক্ষণ করা হয়, যেন অপরাধীদের দমনে দ্রুত সেটি ব্যবহার করতে পারে।

ট্যাকটিক্যাল বেল্টের কারণে অস্ত্র থাকবে হিডেন (লুকানো)। এতে সাধারণ মানুষের পুলিশের অস্ত্রের দিকে সহজে নজর না পড়ে। ট্যাকটিক্যাল বেল্টে ৬টি চেম্বার থাকবে। এসব চেম্বারে প্রাথমিকভাবে থাকছে ছোট অস্ত্র, এক্সপেন্ডেবল ব্যাটন, ওয়্যারলেস সেট, ৫০০ মিলিলিটার পানির বোতল ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য পজ মেশিন।

পুলিশ সদর দফতর জানায়, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করছেন। এটি বহন কষ্টসাধ্য। একই সঙ্গে কাঁধে ও হাতে বড় রাইফেল থাকায় সহজে হাত দিয়ে কিছু করা কঠিন হয়ে পড়ে তাদের। চাইনিজ রাইফেলের পরিবর্তে তরাস পিস্তল দেওয়া হবে। তরাসের পাশাপাশি অন্য ছোট পিস্তলও দেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের ইকুইপমেন্ট-২ শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) শহিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর ডিএমপি ও সিএমপির পুলিশ সদস্যদের মাঝে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট প্রদানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category