1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. samagrabangla@gmail.com : admin :
  4. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  5. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  6. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf

গাভীর ওলান প্রদাহ রোগ ও তার প্রতিকার

  • Update Time : Saturday, January 16, 2021
Udder health and Mastitis

পশুর ওলানের টিস্যুর প্রদাহকে ওলান প্রদাহ (mastitis) বলে। লাভজনক ডেয়রি খামার ও গাভী পালনের প্রধান অন্তরায় হলো ওলান প্রদাহ রোগ। এ রোগের কারণে পশুর দুধ কমে যাওয়া থেকে শুরু করে চিরতওে ওলান বা বাট নষ্ট হয়ে যাওয়া এমনকি পশু মারা যেতে পারে। বাট কানা/নষ্ট গাভী বিক্রি করতে গেলে মাংসের দামে বিক্রি করতে হয়। আমাদেও দেশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা এ রোগটি মানুষের মুখ লাগা ও চোখ লাগা থেকে হয়ে থাকে। ফলে প্রথম গাভীর মালিক কবিরাজ বা ফকিরের কাছ থেকে পানিপড়া, ঝাড়া-ফুঁক ইত্যাদিরও আশ্রয় নেন। এ ছাড়াও তাদেও ধারণা চিকিৎসা করালে এবং ইনজেকশন দিলে আক্রান্ত গাভীর দুধ কমে যাবে। এ ধারণা পোষণ করে পশু মালিকগন ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হন না। কুসংস্কারের কারণে ওলানে প্রচুর ক্ষতিসাধন হয় এবং পরবর্তীতে ব্যয়বহুল চিকিৎসা দিয়েও ততটা সুফল পাওয়া যায় না। তবে ওলান প্রদাহ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করালে পশুর দুধ উৎপাদনের কোনো ব্যাঘাত না ঘটিয়ে দ্রুত সুস্থ করা সম্ভব।
যে কারণে ওলান প্রদাহ রোগ হয়:
১.কতিপয় জীবাণু ওলানে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে। ওলানে আঘাতজনিত কারণে (বাছুরের দাঁতের মাধ্যমে, ত্রুটিপূর্ণ দোহন ইত্যাদির) ক্ষত সৃষ্টি হলে ওলানে জীবাণুর বংশ বিস্তার ঘটে।
২.ওলানের বাট সরাসরি নোংরা থেকে, দুধ দোহনকারীর হাত থেকে রোগ হতে পারে।
৩.ওলানের ছিদ্র দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করতে পারলে এবং দুধ দোহন হতে বিরত থাকলে।

৪.অধিক দুধের চাপের কারণে দুধ জমাট বেঁধে এ রোগ সৃষ্টি হয়।

ওলান প্রদাহ রোগের লক্ষণ:
১.ওলান প্রদাহ রোগের প্রধান লক্ষণ হলো ওলান ফুলে যাওয়া।
২.ওলানে ব্যথা অনুভব হয় এবং তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
৩.গাভী নিজের বাছুরকে ওলানে দুধ খেতে দিতে বাধা দেয়।
৪.দুধের সাথে ছানার মতো জমাট বাধা দুধ দেখা যায়।
৫.বাট দিয়ে দুধের পরিবর্তে পানি, ঘোলাটে দুধ, পুঁজ বের হয়।

৬.যে বাট আক্রান্ত হয় সেই বাট দিয়ে শুধু পানি বের হয় বা রক্ত আসতে পারে।
৭.ওলান শক্ত হতে থাকে এক পর্যায়ে পশু ওলানে হাত দিতে দেয়না।
৮.পশুর অরুচি হয়।
৯.ওলান ফুলার ফলে পশু শুতে পারেনা এবং খুড়িয়ে হাঁটে।
১০.ওলানের সামনে অর্থাৎ নাভীর নিচে পানি জমা হয়ে ইডিমা তৈরি হয়।
১১.ওলানের অংশ বিশেষ বা বাট একদিকে বাঁকা হয়ে যায়।
১২.আক্রান্ত বাট পরবর্তীতে অন্য বাটের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়ে আসে।
১৩.আক্রান্ত ওলানে ফোঁড়া ফেটে বের হয়ে যাওয়ার পর ওলান ছোট হয়ে যায়।

রোগ নির্ণয়: ১.ওলানে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ, ওলানে ইন্সপেকশন, পলিপেশন ও গাভী আক্রান্ত আগে পরে দুধের পরিমাণ ইথ্যাদির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়।২.দুধ পরীক্ষা করে যেমন- দুধের বর্ণ, গন্ধ, ঘনত্ব ইত্যাদি ভালভাবে পরীক্ষা কওে রোগ নির্ণয় করা যায়।
পরীক্ষা পদ্ধতি: একটি কাল কাপরে দুধ ছেকে এই পরক্ষিা করা হয়। এই পদ্ধতীতে প্রথম অবস্থায় দুধ পরীক্ষা করে দুধের রংয়ের পরিবর্তন। দুধে Clot ও পুঁজের Pus উপস্থিতি পরীক্ষা করা যায়।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category