1. mdmasuk350@gmail.com : Abdul Ahad Masuk : Abdul Ahad Masuk
  2. jobedaenterprise@yahoo.com : ABU NASER : ABU NASER
  3. suyeb.mlc@gmail.com : Hafijur Rahman Suyeb : Hafijur Rahman Suyeb
  4. lilysultana26@gmail.com : Lily Sultana : Lily Sultana
  5. mahfujpanjeree@gmail.com : MahfuzurRahman :
  6. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  7. mamun@samagrabangla.com : Mahmudur Rahman : Mahmudur Rahman
  8. amshipon71@gmail.com : MUHIN SHIPON : MUHIN SHIPON
  9. yousuf.today@gmail.com : Muhammad Yousuf : Muhammad Yousuf
কুরবানীর পশুর অতিরিক্ত অংশগুলোর থেকেও আয় হাজার কোটি টাকা - Samagra Bangla

কুরবানীর পশুর অতিরিক্ত অংশগুলোর থেকেও আয় হাজার কোটি টাকা

  • Update Time : Tuesday, June 8, 2021

কুরবানীর পশুর অতিরিক্ত অংশগুলোর থেকেও আয় হাজার কোটি টাকা। গবাদি পশুর গোশত আর চামড়ার কদর আমাদের সবারই জানা। কিন্তু অজানা ব্যাপারটি হলো- পশুর হাড়, শিং, লিঙ্গ, অণ্ডকোষ, ভুঁড়ি, মূত্রথলি, পাকস্থলী, রক্ত ও চর্বি কোনো কিছুই ফেলনা নয়। গোশত আর চামড়া ছাড়া বাকি সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রয়েছে বিরাট অর্থমূল্য। আছে বিপুল রফতানী সম্ভাবনাও।

আমরা উচ্ছিষ্ট হিসেবে গবাদি পশুর যেসব অংশ ফেলে দেই  বিদেশীরা সেগুলো কিনে নেয় ডলার দিয়ে। পশু জবাইয়ের পর একটি মাঝারি আকারের গরুতে ১৫ থেকে ২০ কেজি হাড় ফেলে দেয়া হয়।

আমরা জানিই না যে, প্রতিদিন এই হাড় নিয়ে বাণিজ্য হয় ১০ থেকে ১৫ লাখ এবং নাড়িভুঁড়ি বিক্রি হয় ১২ লাখ টাকার। শুধুমাত্র কুরবানীর ইদ ও পরবর্তী ১ মাসে সারাদেশে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন পশুর হাড় সংগ্রহ করা হয়।

গরুর শিংসহ হাড় বিক্রিতে প্রতিবছর ১০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। বাংলাদেশ বোন এক্সপোর্টার এ্যান্ড মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে, প্রতিদিন এই হাড় কেনা-বেচায় কোটি কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে।

জবাই করা পশুর ফেলে দেয়া হাড়গোড় সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রফতানী করে হাজার কোটি টাকা আয় সম্ভব।

বাংলাদেশ বোন এক্সপোর্টার এ্যান্ড মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, আবর্জনা হিসেবে ফেলে দেয়া গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, মূত্রথলি, চর্বি বিভিন্ন পণ্যের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে শিল্প কারখানায়।

পশুর হাড় দিয়ে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ক্যাপসুলের কভার, ক্যামেরার ফিল্ম, সিরিষ কাগজ, পশুপাখির খাবার, বোতাম, সিরামিক পণ্য, মেলামাইন, শিশুসামগ্রী, শো-পিসসহ ঘর সাজানোর নানা উপকরণ, নাড়ি দিয়ে অপারেশনের সুতা, রক্ত দিয়ে- পাখির খাদ্য, চর্বি দিয়ে- সাবান, পায়ের ক্ষুর দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ক্লিপ ইত্যাদি উপকরণ তৈরি হয়। নাড়িকোষ দিয়ে তৈরি হয় জাপানের জনপ্রিয় খাবার সুসেড রুল। গরুর রক্ত শুকিয়ে ব্লাড মিল তৈরি করা যায়। সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও হাড় ব্যবহৃত হয়। এছাড়া জার্মানি ও ইতালিতে ব্যাপক চাহিদা থাকায় পশুর শিং সরবরাহ করা হয়ে থাকে। দেশেই ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন তৈরি করছে ক্যাপসুলের কভার।

রফতানীকারকরা মনে করেন, পশুর বর্জ্য রফতানীতে সরকারের সহায়তা পেলে কয়েক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। সচেতনতা কিংবা প্রচার না থাকায় গবাদি পশুর হাড়-গোড়, ক্ষুর, শিং, লেজ কিংবা রক্ত শত কোটি টাকার সম্পদ উচ্ছিষ্ট হিসেবে স্থান হয় আবর্জনার ডাস্টবিনে। সরকারের পাশাপাশি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি বর্গারা  সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিলে পরিবেশ দূষণ যেমন কমানোর পাশাপাশি অর্জন হবে বৈদেশিক মুদ্রা।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category