1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
  3. mahmudursir@gmail.com : samagra :

উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী

  • Update Time : রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০২১

উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী:

♦ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো
বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত শীর্ষ সরকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন। এপি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন। উন্নয়ন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দেশে চার ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কাজ করে থাকে। এগুলো হলো:
১. পরিকল্পনা কমিশন
২. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC)
৩. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
৪. মন্ত্রণালয়/বিভাগের পরিকল্পনা উইং

♦ পরিকল্পনা কমিশন:
সরকার প্রধান চেয়াম্যান, পরিকল্পনামন্ত্রী ভাইস চেয়ারম্যান, একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান, কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং পরকল্পনা বিভাগের সচিরে সমন্বয়ে পরিকল্পনা কমিশন গঠিত। উন্নয়ন পরিকল্পনা কমিশনের ভূমিকা- সরকারের আর্থ-সামাজিক উদ্দেশ্যাবলীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য জাতীয়, বার্ষিক, মধ্যমেয়াদী, পঞ্চবার্ষিক, র্দীঘ্যমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন।
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন। উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ। গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়াবলির উপর সমীক্ষা পরিচালনা। বৈদেশিক ঋণের মূল্যায়ন এবং প্রতিবেদন প্রণয়ন।

♦ প্রয়োজনীয় জরিপ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম:
উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় সাংগটিত অবকাঠামো সম্পর্কে পরমর্শ প্রদান।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে প্রেরণের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী চুড়ান্তকরণ। উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের ৩টি বিভাগ রয়েছে।
ক. সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ।
খ. কার্যক্রম ও মূল্যায়ন বিভাগ।
গ. সেক্টর বিভাগ।

♦জাতীয় অর্থনৈতিক পদরিষদ:
চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীগণ সদস্য। সহায়তাদানকারী কর্মকর্তাগণ হচ্ছে: মন্ত্রীপরিষদ সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক এর সচিব

♦ উন্নয়ন পরিকল্পনা NEC-এর কার্যপরিধি:
মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা, ADP এবং অর্থনৈতিক কর্মপন্থা (Policy) নিরূপণের প্রাথমিক পর্যায়ে সামগ্রিক দিক নির্দেশনা প্রদান।
পরিকল্পনা কর্মসূচী এবং কর্মপন্থার চুড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান, উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা, আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ। দায়িত্ব পালনের সহায়ক বিবেচিত যে কোন কমিটি গঠন।
একনেক একেকের চেয়ারপারসন হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী। সদস্যগণ হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীগণ।

♦ উন্নয়ন পরিকল্পনায় একনেক এর কার্যপরিধি:
সকল বিনিয়োগ সারপত্র বিবেচনা ও অনুমোদন, উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তাবয়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিক্ষণ ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারণী বিষয়সমূহ পর্যলোচনা।

♦ পরিকল্পনা উইং:
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগে অবস্থিত পরিকল্পনা উইং উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

♦ উইং এর কর্ম পরিধি:
প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ, প্রকল্পের বাস্তবায়ন, পরীক্ষণ, মূল্যায়ন ও রিভিউ, বিভিন্ন সমীক্ষা গ্রহণ, বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রণয়ন, দাতাদেশ/সংস্থার সাথে যোগাযোগ রক্ষা, পরিকল্পনা কমিশনের উন্নয়ন ও পরিকল্পনা সম্পর্কিত বিষয়ে ফলাবর্ত প্রদান।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যপরিধিতে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উন্নয়ন পকিল্পনা প্রণয়ন, অনুমোদন, বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত কার্যক্রম অনুসৃত ও সম্পন্ন হয়ে থকে।

তথ্য কণিকা:
♦সরকারের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে – পরিকল্পনা কমিশন।
♦ পরিকল্পনা কমিশন – পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অধীন।
♦ পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান – প্রধানমন্ত্রী।
♦ উন্নয়ন পরিকল্পনার সদর দপ্তর – ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
♦ NEC এর পূর্ণরূপ –  National Economic Council .
♦ ECNEC এর পূর্ণরূপ – Executive Committee of the National Economic Council.
♦ ECNEC এর চেয়ারপারসন – প্রধানমন্ত্রী।

♦ বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কৌশলসমূহ:
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ১০ টি উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে ৭ টি পঞ্চবার্ষিকী ও ১টি দ্বিবার্ষিকী উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ২ টি দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র (চজঝচ)রয়েছে। নিচে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনাসমূহ উত্থাপিত হলো।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category