1. mahfujpanjeree@gmail.com : Mahfuzur-Rahman :
  2. admin@samagrabangla.com : main-admin :
Title :
শায়েস্তাগঞ্জে মাজারের পুকুরে ভেসে উঠলো দেহবিহীন মাথা শায়েস্তাগঞ্জে রেলের জমিতে গড়ে উঠা অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ। বাইডেনের ক্ষমতা কমিয়ে দিলো সুপ্রিম কোর্ট ইন্টারনেট ছাড়া জিমেইল ব্যবহার করবেন যেভাবে বন্যার্তদের পাশে বাহুবল উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল বাহুবলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পাঠালেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মামা শাহ আলম চৌধুরী প্রয়োজনে আমার বাড়িকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষনা করব: খন্দকার সুজন বন্যা – কে. এম. রায়হান খান নোয়াঐ গ্রাম এবং স্নানঘাট এর বন্যায় প্লাবিত অঞ্চলের মানুষদের পাশে খন্দকার সুজন সিলেটে পানিবন্দি মানুষের জন্য শুকনা খাবার নিয়ে যাওয়ার পথে ট্রাক দুর্ঘটনা

আজ শুভ বড়দিনঃ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের

  • Update Time : শনিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২১

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন’ আজ ২৫ ডিসেম্বর। এদিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখৃষ্ট। দুই হাজার বছর আগের এই শুভদিনে বেথেলহেমের এক গোয়ালঘরে কুমারী মাতা মেরির কোলে জন্ম নিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেন যীশু। তাই এদিনটিকে ‘বড়দিন’ হিসেবেই পালন করছেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা।

সারা বিশ্বের খ্রিষ্টানদের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্টধর্মের মানুষেরাও ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা ও আনন্দ-উৎসবের মাধ্যমে আজকের দিনটি উদ্‌যাপন করবেন। গত বছর বৈশ্বিক করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে উৎসব উদ্‌যাপন হয়েছিল সীমিত পরিসরে এবং অনেকটা অনাড়ম্বরভাবে। এখন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকায় গতবারের চেয়ে বড়দিনের আয়োজনে চাকচিক্য কিছুটা বাড়লেও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের ক্ষেত্রে মাস্কের ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হবে বলে জানিয়েছেন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতারা।

খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীরা বিশ্বাস করেন, যীশু ঈশ্বরের পুত্র। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি যথাযথভাবে উদযাপন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। তবে করোনা মহামারির কারণে এই উৎসবের দিনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সর্বত্র মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে গির্জাগুলো থেকে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলের রমনা সেন্ট ম্যারিস ক্যাথিড্রাল চার্চ, তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রানীর গির্জা ও মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি গির্জার ভেতর ও বাইরে নানা রঙের বেলুন, নকশা করা কর্কশিট, রঙিন কাগজ, জরি ও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। গির্জা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন গাছে ঝোলানো হয়েছে নানা রঙের বাতি। রাতে আলো ঝলমল করছিল গির্জাগুলো। এ ছাড়া তিনটি গির্জার ভেতরে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে কৃত্রিম ‘ক্রিসমাস ট্রি’।

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, যিশুর জন্ম হয়েছিল জীর্ণ গোয়ালঘরে। সেই বিশ্বাস থেকেই গির্জায় প্রতীকী গোয়ালঘর তৈরি করা হয়েছে। তাতে প্রতীকীভাবে শিশু যিশু ও তাঁর মাতা মেরিসহ অন্যদের তুলে ধরা হয়েছে। খ্রিষ্টান ধর্মযাজকেরা বলেছেন, নামে ‘বড়দিন’ হলেও আক্ষরিক অর্থে এ দিনটি বড় নয়। এদিনে খ্রিষ্টবিশ্বাসীরা যাতে মন ও হৃদয়ে বড় এবং উদার হতে পারে, তাই যিশুখ্রিষ্টের এ জন্মোৎসবকে বড়দিন বলা হয়।

আজ শনিবার বড়দিন হলেও বিভিন্ন গির্জায় উৎসব উদ্‌যাপন শুরু হয়েছে গতকাল সন্ধ্যার প্রার্থনা অনুষ্ঠানের পর থেকেই। মোহাম্মদপুর গির্জায় গতকাল রাত ৯টায় এবং তেজগাঁও গির্জায় সন্ধ্যা ৭টা ও রাত ১০টায় প্রার্থনা হয়েছে।

বড়দিনকে ঘিরে রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেলগুলোও বর্ণিলভাবে সাজানো হয়েছে। রঙিন আলোকসজ্জায় ‘ক্রিসমাস ট্রি’ সাজানো হয়েছে বিভিন্ন হোটেলে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে গতকাল দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, উৎসব উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে অনেক খ্রিষ্টান পরিবারে আজ তৈরি হবে বড়দিনের বিশেষ কেক। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেকে বড়দিনকে বেছে নেন। বড়দিন উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি থাকবে।

উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড়দিন উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন

More News Of This Category